kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

লক্ষ্মীপুরে সড়কে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, আটক ৯

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লক্ষ্মীপুরে ক্ষমতাসীন দলের নামে সড়কে পরিবহন থেকে বেপরোয়া চাঁদাবাজি হচ্ছে। চাঁদাবাজি বন্ধে মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও লেগুনা থেকে চাঁদা উত্তোলনের সময় হাতেনাতে ৯ জনকে আটক করা হয়। গতকাল বুধবার সকালে তাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল ও রায়পুর থানায় দ্রুত বিচার আইনে দুটি মামলা করা হয়। বিকেল ৩টার দিকে তাদের লক্ষ্মীপুর আদালতের নির্দেশে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানের পর থেকে লক্ষ্মীপুর শহরের দক্ষিণ তেমুহনী ও উত্তর তেমুহনী এলাকায় পরিবহন থেকে কোনো চাঁদা ওঠাতে দেখা যায়নি। তবে রসিদের মাধ্যমে পৌরসভার নির্ধারিত টোল আদায় করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, লক্ষ্মীপুর-ঢাকা, লক্ষ্মীপুর-চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর-ফেনী, রামগঞ্জ-ঢাকা, রামগতি-ঢাকা, রামগতি-চট্টগ্রাম, রায়পুরসহ জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস, মিনিবাস, ট্রাক, অটোরিকশা, লেগুনা চলাচল করে। মালিক ও শ্রমিক সমিতির নামে প্রতিটি উপজেলায় আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগ-শ্রমিক লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা দৈনিক হাজিরা হিসেবে লোক নিয়োগ করে পরিবহন থেকে ইচ্ছেমতো চাঁদা আদায় করেন। গত কয়েক বছরে অনেকেই পরিবহন চাঁদাবাজির টাকায় ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামানের নির্দেশে জেলার বিভিন্ন সড়কে চাঁদা উত্তোলনের ঘটনায় গত মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে চাঁদা উত্তোলনের সময় হাতেনাতে ৯ জনকে আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. মোক্তার হোসেন বলেন, জেলার বিভিন্ন সড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সড়কে চাঁদাবাজি রোধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা