kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ছয় মাসেও হয়নি সংযোগ সড়ক বিল তুলে নিলেন ঠিকাদার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছয় মাসেও হয়নি সংযোগ সড়ক বিল তুলে নিলেন ঠিকাদার

সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের নয়াপাড়ায় একটি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় ছয় মাস আগে। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ঠিকাদার বিল তুলে নিলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেননি। এদিকে সংযোগ সড়কের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে দুটি প্রকল্প বরাদ্দ দিলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ভোগান্তিতে আছে এলাকাবাসী।

সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতটুি নির্মাণ করা হয়। মেসার্স আলফাত আলম ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণের কাজ পায়। কিন্তু মাটি না পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ অসমাপ্ত রাখে। এদিকে গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে সংযোগ সড়কের জন্য প্রায় আড়াই মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষ হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাটি ফেলা হয়নি। অন্যদিকে একই কাজের জন্য টিআর প্রকল্প থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৭২ হাজার টাকা। অথচ কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে আড়াই মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ প্রকল্পের সভাপতি হরগজ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল আওয়াল। তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমের কারণে মাটি ফেলা যাচ্ছে না। তবে অর্থবছর শেষ হয়ে গেলে বরাদ্দ ফিরে যাবে, তাই বরাদ্দের গম বিক্রি করা টাকা তাঁর কাছে গচ্ছিত আছে। বৃষ্টি কমলেই কাজ শুরু করা হবে।

হরগজ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জ্যোতি সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য দুই খাত থেকে বরাদ্দের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘পানি শুকিয়ে গেলেই কাজ শুরু করা হবে।’ তবে তিনি অভিযোগ করেন, ঠিকাদারের জন্যই জনগণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শাহারিয়া মাহমুদ রনজু বলেন,  ‘ঠিকাদার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে না দিলে তাঁর জামানত থেকে টাকা কর্তন করে রাখা হবে।’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আজাদুল ইসলাম আজম বলেন, ‘সংযোগ সড়কে মাটি ফেলা হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে গেছে। শুকনো মৌসুমে আবার মাটি ফেলা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা