kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

বিশ্বনাথে পিআইও-মেম্বারের পকেটে প্রকল্পের টাকা

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি প্রকল্পের পুরো কাজ না করে বরাদ্দ পাওয়া টাকা ছয়নয় করা হয়েছে। প্রায় দেড় লাখ টাকার এই প্রকল্পের ৪৯ হাজার টাকাই পকেটে রেখেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ট্যাগ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য। কাজ হয়েছে মাত্র ৭৫ হাজার টাকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বিশ্বনাথ উপজেলার আটটি ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ের ৩৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ৯১ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে দশঘর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রায়খেলি এখলাছ মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে কান্দিরখাল পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাটের জন্যে বরাদ্দ দেওয়া হয় এক লাখ ৪৪ হাজার টাকা। প্রকল্পটি পান ৭, ৮ ও ৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য রোশনারা বেগম।

ইউপি সদস্য রোশনারা বেগম বলেন, এক লাখ ৪৪ হাজার টাকার মধ্যে ভ্যাট-ইনকাম ট্যাক্স বাবদ ২০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) ১০ হাজার টাকা ও ট্যাগ কর্মকর্তাকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

দশঘর ইউনিয়নের ট্যাগ কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব বলেন, ‘আমি প্রকল্পটিই গিয়ে দেখিনি। টাকা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। দু-এক দিনের মধ্যে প্রকল্পটি দেখতে যাব।’

দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ছাতিরের মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

পিআইও মাহবুব আলম শাওন বলেন, ‘ইউপি সদস্যকে আপনাদের সামনে এনে জিজ্ঞাসা করব। তিনি বলুক আমাকে টাকা দিয়েছেন কি না। তিনি আমাকে কোনো টাকা দেননি। আমিও নিইনি।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল জানান, খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা