kalerkantho

সুন্দরগঞ্জে মশা বিস্তারের আয়োজন!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পৌর ভবন চত্বর, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকা, এমনকি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এখন দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখা যায়। তাতে মশা অবাধে বংশ বৃদ্ধি করছে। বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কারো তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই যেন।

কোরবানির ঈদের সময় থেকে ডেঙ্গু রোগীর বিস্তার ঘটছে সুন্দরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায়। ঈদে ঢাকা ও অন্য শহরগুলো থেকে আসা মানুষ আক্রান্ত হয়ে নিজেদের এলাকায় আসে। সুন্দরগঞ্জে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। বরাদ্দ পেলেও এখন পর্যন্ত পৌর মেয়র ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার-পরিছন্নতা কর্মসূচি বা মশক নিধনে ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম নেওয়া হয়নি। পৌর কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতির কারণে পৌর শহরের বিভিন্ন অলিগলি ময়লা-আর্বজনা জমে যেন ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে পৌরসভার মীরগঞ্জ বাজারের ড্রেন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ তিন মাস ধরে সড়কে জমে রয়েছে দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি। সে কারণে ওই সড়ক দিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। এদিকে পৌর ভবনের সামনে সড়কে পড়ে থাকা আবর্জনার স্তূপ এলাকাকে দুর্গন্ধময় করে তুলেছে।

একই দৃশ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ছালেহা বেগম জানান, তিনি সাত দিন ধরে মহিলা ওয়ার্ডে আছেন। অথচ এক দিনও পরিছন্নতাকর্মীকে টয়লেট পরিষ্কার করতে দেখেননি। জরুরি বিভাগের টয়লেটে বৈদ্যুতিক বাতি। সব টয়লেট ব্যবহারের অযোগ্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইয়াকুব আলী মোড়ল নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে জানান, তাঁর করার কিছু নেই। কারণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোনো পিয়ন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী কথা শুনতে রাজি নয়। বহুবার তাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনুরোধ পর্যন্ত করা হয়েছে। তার পরও কাজে নামানো যায়নি।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জনবল কম থাকায় নিয়মিত শহর পরিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

মন্তব্য