kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘বোমা মেশিন’ ব্যবহার করছেন খোদ ইউএনও

আমতলী উপজেলা পরিষদ চত্বরের একটি পুকুরে ‘বোমা মেশিন’ দিয়ে বালু তোলায় ঝুঁকিতে কয়েকটি সরকারি ভবন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘বোমা মেশিন’ ব্যবহার করছেন খোদ ইউএনও

শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নিষিদ্ধ ‘বোমা মেশিন’ দিয়ে বরগুনার আমতলী উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

বরগুনার আমতলী উপজেলা পরিষদ চত্বরের একটি পুকুর থেকে অবৈধ ‘বোমা মেশিন’ দিয়ে বালু তোলার কারণে ঝুঁকিতে পড়েছে বেশ কয়েকটি সরকারি ভবন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদের শিশু পার্কের মাটি ভরাটের জন্য আমতলীর ইউএনও মনিরা পারভীন এভাবে বিধ্বংসকারী যন্ত্র দিয়ে বালু তোলার নির্দেশ দিয়েছেন।

রবিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আমতলী উপজেলা পরিষদ চত্বরের মধ্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের পেছনের পুকুর থেকে পরিত্যক্ত শিশু পার্ক ভরাটের নামে দেশীয় শ্যালো ইঞ্জিনে তৈরি ড্রেজার মেশিন (বোমা মেশিন) দিয়ে বালু উত্তোলন করাচ্ছেন ইউএনও মনিরা পারভীন। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওর বাসভবন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যালয়, মৎস্য অফিস, কৃষি অফিসসহ সরকারি কোয়ার্টার।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে পুকুর থেকে বালু তোলার জন্য মেশিনটি বসানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ‘বোমা মেশিন’-এর মালিক দেলোয়ার গাজী। তবে আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না।

পরিবেশবিষয়ক আইনি সংস্থা ‘বেলা’র বরিশাল অফিসের কর্মকর্তা লিংকন বায়েন বলেন, ‘বোমা মেশিন দিয়ে বালু তোলা নিষিদ্ধ। তা ছাড়া বালু তুলতে হলে সরকারস্বীকৃত নির্ধারিত বালুমহাল থেকে উত্তোলন করতে হবে। পুকুর বা ডোবা থেকে বালু তোলার সময় সেখানে এক ধরনের শূন্যস্থান তৈরি হয়। এ কারণে আশপাশের ভূমি বা স্থাপনা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে।’

উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এভাবে বালু উত্তোলন করায় পুকুরপারের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।’ এ ব্যাপারে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা