kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দোকানিদের প্রতারণা দৌলতদিয়া ঘাটে

রাজবাড়ী প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ। ফলে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে প্রতিদিন হাজারো যাত্রীর আনাগোনা থাকে। প্রয়োজন পড়লে বেশির ভাগ যাত্রীই ওই দুটি ঘাট এলাকার দোকানপাট থেকে ফলমূলসহ নানা ধরনের খাদ্যসামগ্রী কিনে থাকে। কিন্তু ওই সব দোকানের মালিক ও বিক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে সুকৌশলে ওজনে কম দিয়ে তাদের ঠকাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি দৌলতদিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাট এলাকায় গিয়ে জানা যায়, সাধারণত কাগজের ঠোঙার ওজন ৮ থেকে ১০ গ্রাম হয়। কিন্তু ওই ফেরি ও লঞ্চঘাট এলাকার দোকানে রাখা ঠোঙার ওজন অন্তত ১০০ গ্রাম। ফলে কোনো ক্রেতা যদি এক ঠোঙায় ৩০০ টাকার ফলমূল কেনে তাহলে ঠোঙাটির ওজন বাদ দিলে পায় ৯০০ গ্রাম। এতে ৩০০ টাকায় তার আর্থিক ক্ষতি হয় ৩০ টাকা। তবে যেসব ক্রেতা পলিথিনে মালামাল নেয় তারা খুব একটা প্রতারণার শিকার হয় না।

দৌলতদিয়া ঘাটের ফেরি শাহ্ আলীতে গিয়েও একই দৃশ্য দেখা গেছে। ওই ফেরিতে বসে ফলমূল বিক্রি করেন ইসলাম মোল্লা। তিনি জানান, ঠোঙাগুলো ৪০ টাকা কেজি দরে কেনেন তাঁরা। 

আব্দুল কাইয়ুম নামে এক বাসযাত্রী অভিযোগ করেন, তিনি আধা কেজি আঙুর ও এক কেজি আপেল কিনেছেন। আলাদা দুটি কাগজের ঠোঙায় তাঁকে ফলগুলো দেওয়া হয়। এতে ওজনে ২০০ গ্রাম কম পেয়েছেন তিনি। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘প্রকাশ্য এমন প্রতারণা হচ্ছে, অথচ তা দেখার কেউ নেই।’ এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান কাইয়ুম।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, এ ধরনের প্রতারণার বিষয়টি জানা নেই। অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যবস্থা নেব।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা