kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মোংলায় পাল্টাপাল্টি চাঁদাবাজি মামলা দুই ব্যবসায়ীর

জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে দ্বন্দ্বের জের

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোংলা থানায় পরস্পরবিরোধী দুটি চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে। এক মামলার আসামি মোংলার ধনাঢ্য ব্যবসায়ী এইচ এম দুলাল। অন্য মামলার আসামি খুলনার ধনাঢ্য ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বাবলু। মোংলা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার তদন্ত চলছে।

একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ২৬ আগস্ট আসামি এইচ এম দুলাল মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রকৌশল দপ্তরের সামনের রাস্তার ওপর প্রকাশ্যে বাদী রফিকুল ইসলামের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ভয়ভীতি দেখান।

আরেক মামলায় বলা হয়, এইচ এম দুলাল মোংলা বন্দর জেটির সামনে থেকে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার নদী খননে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভির সঙ্গে জ্বালানি তেল সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিতে চাহিদা অনুযায়ী তেলও সরবরাহ করেন এইচ এম দুলাল। কিন্তু তেলের দাম হিসেবে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভির কাছে মের্সাস নুরু অ্যান্ড সন্স কম্পানির মালিক এইচ এম দুলাল প্রায় তিন কোটি ৬৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা পান। এরই মধ্যে পাওনা টাকার ৩৬ লাখ ২২ হাজার ৮০০ এবং এক কোটি আট লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক দেয় প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভি। কিন্তু ওই চেকের টাকা ছাড় করাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভির (ডিসিআই) বাংলাদেশের স্থানীয় এজেন্ট খুলনার সিগমা শিপিং লাইনসের মালিক রফিকুল ইসলাম বাবলু। তিনি ওই টাকা ছাড় করাতে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদাবাজির অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে এইচ এম দুলাল বলেন, ‘আমি কারো কাছে কোনো চাঁদা চাইনি। সম্পূর্ণ অসত্য অভিযোগ।’

তবে রফিকুল ইসলাম বাবলুর বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে মোংলা প্রেস ক্লাব সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এইচ এম  দুলালের বিরুদ্ধে করা মামলাটি মিথ্যা দাবি করে মোংলা প্রেস ক্লাব গতকাল সকাল ১১টায় প্রতিবাদসভা করেছে। মামলার প্রতিবাদে আজ রবিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের আয়োজনে মানববন্ধন করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা