kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিদ্যালয়ের আঙিনায় এক খণ্ড শিশু পার্ক

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদ্যালয়ের আঙিনায় এক খণ্ড শিশু পার্ক

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর শহরের খায়রুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুবিধার্থে সরকারি উদ্যোগে মিনি শিশু পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিদ্যালয়ের আঙিনায় শিশু শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য শিশু পার্কের মতো ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পৌর শহরের খায়রুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি উদ্যোগে এ চমৎকার আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, শিশুদের কেউ হৈচৈ করে স্লিপার থেকে পিছলে পড়ছে, কেউবা দোলনায় দোল খাচ্ছে, আবার কেউ ব্যালেন্সিং যন্ত্রে ওঠানামা করছে। তবে যাতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ থাকে সে জন্য প্রধান শিক্ষক আহসান উল্লাহসহ দু-তিনজন সেখানে দাঁড়িয়ে আছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আয়োজনটি চমৎকার। বাচ্চারাও দারুণ মজা পাচ্ছে। লেখাপড়ার চাপে বাচ্চারা অনেক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সে জন্য মনমরা হয়ে থাকে। কিন্তু এখন ক্লাসের ফাঁকে বা টিফিন পিরিয়ডে খেলার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মনমরা ভাব কেটে গেছে। সুযোগ পেলেই খেলার জন্য তারা উতলা হয়ে ওঠে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহ কয়েক গুণ বেড়েছে।’ 

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া মেহনাজ ও হিয়া মণি, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেনি আক্তার ও ফারজানা আক্তার মাহি জানায়, বিদ্যালয়ে এসে খেলার সুযোগ পেয়ে তাদের খুবই আনন্দ হচ্ছে।

অভিভাবক উন্মে রহিমা বলেন, ‘আমার মেয়ে আয়েশা আক্তার পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। আগে মাঝেমধ্যে স্কুল কামাই করত। কিন্তু খেলার সুযোগ থাকায় এখন স্কুল কামাই তো দূরের কথা, বিদ্যালয়ে আসার জন্য আমাকেই তাড়া দেয়।’

সরকারের চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় খায়রুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশু শিক্ষার্থীদের বিনোদনের ব্যবস্থা করতে সরকার এক লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সেই টাকায় বিদ্যালয়ের সামনেই স্থাপন করা হয়েছে এই মিনি পার্কটি।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সবুজ মিয়া বলেন, ‘এই আনন্দঘন পরিবেশে লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ঘটবে। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় এ রকম আয়োজন হলে উপস্থিতির হারও বৃদ্ধি পাবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা