kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাঞ্ছারামপুরে নকল সরিষার তেল কারখানা

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঞ্ছারামপুরে নকল সরিষার তেল কারখানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার একটি গ্রামে ক্ষতিকারক ও নিম্নমানের সরিষার তেল প্রস্তুত করে ‘মদিনা খাঁটি সরিষা তৈল’-এর নাম ব্যবহার করে বাজারজাত করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, নকল ওই সরিষার তেল একই আদলের বোতলে ‘মদিনা খাঁটি সরিষা তৈল’র মোড়ক লাগিয়ে স্বল্পমূল্যে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে মদিনা অয়েল মিলের পক্ষ থেকে বুধবার বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগরের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) ও বাঞ্ছারামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

লিখিত ওই আবেদনে অভিযোগ করা হয়, নরসিংদীতে প্রতিষ্ঠিত মদিনা অয়েল মিলের ‘সুনাম’ পরিকল্পিতভাবে বিনষ্ট করার লক্ষ্যে একটি চক্র গত কয়েক মাস ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ গ্রামে নকল কারখানা তৈরি করে ‘মদিনা খাঁটি সরিষা তৈল’ নাম দিয়ে তা বাজারজাত করছে। ছলিমাবাদ গ্রামের কালু মেম্বারের ছেলে আতিক মিয়ার নেতৃত্বে এই অপকর্ম নির্বিঘ্নে চলছে বলে আবেদনে অভিযোগ করা হয়।

তবে নকল মদিনা তেলের বোতলটিতে সুকৌশলে বড় অক্ষরে মদিনা লেখাটির ওপর ছোট্ট করে ‘আল’ শব্দটি যুক্ত করে দেওয়া রয়েছে। এ ছাড়া আসল মদিনা সরিষার তেলের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘মেসার্স মদিনা অয়েল মিল, লাকড়িপট্টি, নরসিংদী লেখা থাকলেও নকল মদিনা সরিষার তেলের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসকেএম অয়েল মিল, নরসিংদী লেখা দেখতে পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে আবেদনকারী মদিনা অয়েল মিলের চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (আরএসএম) আক্তার হোসেন বলেন, ‘মদিনা নাম দিয়ে তৈরি করা এই নিম্নমানের নকল সরিষার তেল আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি—এটি মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এটি সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। এই নকল তেল বাজারজাত হওয়ায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম বিনষ্ট ও ব্যবসা নস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে। তাই দ্রুত এর প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি।’

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মেহেদী হাসান বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাঞ্ছারামপুরের ওসিকে এর মধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বাঞ্ছারামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা