kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফকিরহাটে এতিমের টাকা কর্তার পেটে

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফকিরহাটে এতিমের টাকা কর্তার পেটে

বাগেরহাটের ফকিরহাট কারামতিয়া এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এতিমদের ভরণপোষণে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। কাগজকলমে ভুয়া ছাত্রদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সহায়তায় গত এক বছরে প্রায় সোয়া লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। আর এ কাজের নেপথ্যে ছিলেন ফকিরহাট কারামতিয়া ফাজিল মাদরাসার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সাব্বির মোল্লা, সাইদ শেখ ও আদনান সামী নামের তিনজন ছাত্র এতিম খানার লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে অধ্যায়নরত। তবে তাদের কোনো আর্থিক সহযোগিতা করা হয় না। বরং প্রতিষ্ঠানের হিসাবের খাতায় ১০ জন ছাত্রের নাম দেখিয়ে ভরণপোষণের ভুয়া ভাউচার তৈরি হয়। আত্মসাৎ করা হয় এতিমের মুখের খাবার। গত এক বছরে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক ফকিরহাট শাখার একটি হিসাব থেকে এক লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এ ছাড়া এতিমদের জন্য বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীর প্রদত্ত সাহায্যের অর্থের কানাকড়িও জোটেনি এতিমদের কপালে। সব গেছে কর্মকর্তাদের পকেটে।

এ নিয়ে গত ৩০ জুলাই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সম্পাদক আবদুল মান্নানকে আসামি করে রাসেল মোল্লা বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

এ বিষয়ে ফকিরহাট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সবুর আলী বলেন, ‘আমি তিন মাস ঢাকায় ট্রেনিংয়ে ছিলাম। যদি বোর্ডিংয়ের কর্মকর্তারা জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া ভাউচার ব্যবহার করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করে থাকেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে কারামতিয়া মাদরাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং পরিচালনা কমিটির সম্পাদক আব্দুল মান্নানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা