kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধুনটে স্ত্রীর শরীরে সিগারেটের ছেঁকা

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার ধুনট উপজেলায় তাপসী আকতার (১৯) নামের এক গৃহবধূর মুখ বেঁধে রেখে শরীরে সিগারেটের ছেঁকা দিয়েছে স্বামী। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাপসী আকতার উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-দোয়াতপাড়া গ্রামের সবুজ হোসনের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে রামকৃষ্ণপুর-দোয়াতপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে সবুজ হোসেনের সঙ্গে ধুনট পৌর এলাকার পূর্বভরণশাহী গ্রামের তুরাব আলীর মেয়ে তাপসীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর গাজীপুরের জিরানী বাজার এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করে স্বামী-স্ত্রী। সেখানে তারা ভাড়া বাসায় বসবাস করে। দুই মাস ধরে সবুজ তার স্ত্রী তাপসীকে যৌন উত্তেজক বড়ি কিনে সেবন করায়। স্বামীর কিনে দেওয়া বড়ি সেবন করলে শরীর সুস্থ থাকবে বলে তাপসীকে জানানো হয়। এ নিয়ে তাঁর মনে সন্দহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি কৌশলে জানতে পারেন তাঁকে সেবন করানো ওষুধটি যৌন উত্তেজক বড়ি। এ নিয়ে বুধবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ হয়। এ সময় সবুজ ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বলন্ত সিগারেটের ছেঁকা দেয় ও মারধর করে। তাঁর কান্না যাতে কেউ শুনতে না পায় এ জন্য তাঁর মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে তাপসী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৌশলে গাজীপুর থেকে ধুনটে বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সবুজ হোসেন বলে, ‘অবাধ্য স্ত্রীকে চড়-থাপ্পড় মেরে শাসন করেছি। তার শরীরে সিগারেটের ছেঁকা দেওয়া হয়নি।’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রিপন কুমার বলেন, ‘মেয়েটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আগুন দিয়ে ছেঁকা দেওয়ায় ফোসকা পড়েছে।’ ধুনট থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা