kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রানীনগর

তিন বছরেও শেষ হয়নি সেতুটির কাজ

রানীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন বছরেও শেষ হয়নি সেতুটির কাজ

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার সর্বরামপুর-ভবানিপুর গ্রামের চৌতাপাড়ায় রতনডারি খালে দাঁড়িয়ে আছে পিলার। ছবি : কালের কণ্ঠ

সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে নওগাঁর রানীনগরের কাশিমপুর ও গোনা ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সর্বরামপুর-ভবানিপুর গ্রামের চৌতাপাড়ায় রতনডারি খালের ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য খালের দুই পারে দুটি পিলারও বসানো হয়। কিন্তু কাজ বলতে এইটুকুই। তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সেতুটি নির্মাণের কাজ শেষ হয়নি। এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা যায়, রতনডারি খালের ওপর সেতু না থাকায় কাশিমপুর ও গোনা ইউনিয়নের সর্বরামপুর, কাশিমপুর, ডাঙ্গাপাড়া, এনায়েতপুর, ভবানীপুর, দুর্গাপুরসহ ১০ গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে। তাই দীর্ঘদিন ধরে সর্বরামপুর-ভবানিপুর গ্রামের চৌতাপাড়ায় সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছিল তারা।

তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা পরিষদের রাজস্ব উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণের জন্য ২০১৬ সালের মার্চ মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ এলাকার ঠিকাদার মো. গোলাম কিবরিয়া নির্মাণকাজের দায়িত্ব পান। সে অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে খালটির দুই পাড়ে দুটি পিলার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সেতুটি নির্মাণের কাজ শেষ হয়নি।

কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মকলেছুর রহমান বাবু বলেন, ‘অতি শিগগিরই এ সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাইদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করতে কমপক্ষে আরো ২৫ লাখ টাকা লাগবে। উপজেলা পরিষদের তহবিলে এই পরিমাণ টাকা না থাকায় সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করা যাচ্ছে না। তাই অন্য কোনো তহবিল থেকে প্রকল্প গ্রহণ করে কাজ শেষ করার চিন্তা-ভাবনা চলছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা