kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সংযোগ সড়কে ১৪ বছর পার

তানোরে সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহীর তানোরে শিব নদের (বিলকুমারী বিল) ওপর নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কয়েক দফা বরাদ্দ বাড়িয়ে সেতু নির্মাণের পর গত ১৪ বছর ধরে এর সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। কাজের নামে কয়েক ধাপে কয়েক কোটি বরাদ্দ বাড়িয়ে নিজেরা ভাগ-বাটোয়ার করে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংযোগ সড়কের ইটের রাস্তাটির কাজ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে দুই ধার ধসে যায়। রাস্তাটি ঠিক করতে আবারও নতুন করে বরাদ্দ বাড়ানো হয়। চলতি কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হোসেন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আব্দুর রশিদের লোকজন গত ঈদের আগে তাড়াহুড়ো করে ভেঙে যাওয়া সড়কে কাঠ ও টিন দিয়ে বেঁধে বালুভর্তি বস্তা বসায়। কিন্তু কাজ চলা অবস্থায় আবারও রাস্তা দেবে যায়।

তানোর উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য ২০০৫-০৬ অর্থবছরে তানোর-মোহনপুরে শিব নদের ওপর ২১০ মিটার সেতুটি নির্মাণকাজ হাতে নেওয়া হয়। এ জন্য তখন তিন কোটি ৯৫ লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। দরপত্রের মাধ্যমে মেসার্স মাইনুল এন্টারপ্রাইজ কাজটি পায়। কার্যাদেশ প্রাপ্তির পর তৎকালীন জোট সরকারের ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ২০০৬ সালের ৪ মার্চ সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তখন নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটির মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে দুই কোটি টাকা তুলে নেয়। মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি লিখে গত ২০১০ সালের জুনে নতুন করে আবারও পত্রিকায় দরপত্রের মাধ্যমে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে মেসার্স রানা বিল্ডার্স কাজের দায়িত্ব পায়।

গোল্লাপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি  সারোয়ার জাহান বলেন, ‘এই কাজ কবে শেষ হবে কে জানে।’

তানোর বাজারের ব্যবসায়ী প্রতাব সরকার বলেন, সংযোগ সড়কের পেছনে যত টাকা ব্যয় হয়েছে, সেই টাকা দিয়ে আরেকটি সেতু তৈরি করা যেত।

তানোর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘এ ব্যাপারে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ভালো বলতে পারবেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা