kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চিতলমারী-মোল্লাহাট সীমানা বিরোধ

৫০ জেলে পরিবারকে অত্যাচার

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫০ জেলে পরিবারকে অত্যাচার

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার আড়ুয়ামাছুয়া গ্রামের প্রায় ৫০ জেলে পরিবারের ওপর মোল্লাহাট উপজেলার দত্তডাঙ্গা গ্রামের প্রভাবশালীরা নির্যাতন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মোল্লাহাট সীমানার দত্তডাঙ্গা গ্রামের প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন ধরে জেলে পরিবারগুলোর বাড়ির সামনের গাছপালা দখল, নারী নির্যাতনসহ নানামুখী অত্যাচার করছে। তাদের অত্যাচারে এর আগে ওই গ্রামের একাধিক ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।

চিতলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল জানান, সাধারণত সীমানার পাশের বাসিন্দারা তাদের বাড়ির সামনের সরকারি জায়গা দেখে রাখে ও ভোগ করে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তার উল্টো। সীমানার রাস্তা পেরিয়ে মোল্লাহাট উপজেলার লোকেরা চিতলমারীর আড়ুয়ামাছুয়া গ্রামে নিরীহ জেলেদের বাড়ির সামনের জায়গা দখলসহ নানা নির্যাতন চালাচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা বলেন, ‘অত্যাচারের বিষয়টি জানা নেই।’

মোল্লাহাট প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ‘সীমানা নিয়ে বিরোধ আলোচনা করে মীমাংসা হতে পারে। কিন্তু এই বিরোধকে ঘিরে চিতলমারীর জেলেরা অত্যাচারিত হলে তা দুঃখজনক।’

গত রবিবার আড়ুয়ামাছুয়া গ্রামে গেলে সুশান্ত সমাদ্দার জানান, তাঁদের গ্রামে ৫০টি জেলে পরিবার কয়েক পুরুষ ধরে বসবাস করছে। ১৯৮৪ সালে চিতলমারী উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সীমানা নিয়ে  মোল্লাহাটের প্রভাবশালী কয়েক ব্যক্তি তাঁদের ওপর অত্যাচার করছে। অত্যাচার সইতে না পেরে মিলন বাগচী ও ফটিক বাগচী এলাকা ছেড়ে গেছেন। সম্প্রতি অত্যাচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নারী নির্যাতন। তিনি বলেন, ‘মোল্লাহাটের দত্তডাঙ্গা গ্রামের শরিফুল সিং আমার আত্মীয়ের সম্ভ্রমহানি করছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। আরো এক নারীকে উত্ত্যক্ত করছে শরিফুল। সম্মান হারালে আর কী থাকে? দত্তডাঙ্গার মাঠে ফুটবল খেলতে গেলে ওরা উঠিয়ে দেয়। এই ধরনের অত্যাচার হতে আমরা বাঁচতে চাই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা