kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধামরাইয়ে ‘অপহৃত’ ব্যবসায়ী মুক্তি পেলেন পুলিশ হেফাজত থেকে

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকার ধামরাইয়ে গত সোমবার সন্ধ্যায় তুলে নেওয়া সানোড়া ইউনিয়নের চান্দখালী গ্রামের এরশাদ আলী পুলিশি হেফাজতেই ছিলেন। একটি হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাঁকে তুলে নিয়েছিল। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরশাদ আলী ধামরাইয়ের চান্দখালি গ্রামের হাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে এবং বাসনা বাসস্ট্যান্ডে মুদি দোকানদার।

এলাকাবাসী ও এরশাদের স্বজনরা জানায়, সোমবার রাতে এরশাদকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নেওয়া হয়। পরে রাতেই স্বজনরা সাভারের ডিবি কার্যালয় ও থানায় খোঁজ নেয়। কিন্তু এরশাদ পুলিশের হেফাজতে আছে এ কথাটি স্বীকার করেনি পুলিশ। পরে গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজনকে আসামি করে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ জানায় এরশাদের ভাই শাহজাহান মিয়া।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল মঙ্গলবার বড় ভাই শাহজাহানের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এ ঘটনায় এরশাদ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। বর্তমানে তিনি কারো সঙ্গে কোনো কথা বলছেন না। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তাঁর চাচা শ্বশুর খালেদ হোসেন লেবিন।

এরশাদের বড় ভাই শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘ধামরাই থানা থেকে এরশাদকে আমার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না।’

ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, হত্যা মামলার গোপনীয়তা রক্ষার্থে প্রথমে কাউকে কিছু জানানো হয়নি।

জানা গেছে, সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বাসনা বাসস্ট্যান্ডে মুদি দোকান বন্ধ করে এরশাদ আলী, তাঁর বড় ভাই শাজাহান মিয়া ও প্রতিবেশী খোকন মিয়া হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। দোকান থেকে ২০০ গজ যাওয়ার পরই একটি প্রাইভেটকার থেকে সাদা পোশাকে তিন-চারজন ব্যক্তি নেমে শাজাহান মিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে এরশাদকে প্রাইভেটকারে তুলে ঢাকার দিকে চলে যায়। এ সময় বড় ভাইয়ের চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এসে প্রাইভেটকারটি আটকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ সময় একটি মাইক্রোবাসে তিন-চারজন ব্যক্তি প্রাইভেটকারের পেছনে পেছন চলে যায়। এরপর থেকে এরশাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সাভারের ডিবি ও র‌্যাব কার্যালয়ে খোঁজ নিয়েও সন্ধান পায়নি এরশাদের স্বজনরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা