kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হয়রানি

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিরুদ্ধে এক গ্রাহককে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার বিরল উপজেলার বাজনাহার গ্রামের মেসার্স এইচ এম হাসকিং মিলের মালিক হায়দার আলী এ ঘটনার শিকার। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধসহ মামলার রায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ থাকার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে গত দুই মৌসুমে হায়দার আলীর পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ভুক্তভোগী হায়দার আলী জানান, তিনি ২০০১ সালে বাজনাহারে এইচ এম হাসকিং মিল স্থাপন করেন। দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ বিরল জোনাল অফিসের মাধ্যমে তিনি বৈদ্যুতিক সংযোগ গ্রহণ করেন। নিয়মিত বিল পরিশোধের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৩ জুন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। গ্রাহক হায়দার আলী বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের কপি বিরল জোনাল অফিসে উপস্থাপন করলে পুনরায় সংযোগ দেওয়া হয়। এর দুই মাস পর ফের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

এ ঘটনায় হায়দার আলী বিরল সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। শুনানি শেষে চলতি বছরের ৩০ মে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন বেআইনি ঘোষণা করা হয়।

একই সঙ্গে বিচারক ৩০ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নোটিশ জারি করেন। কিন্তু সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। পরে গত ২৮ জুলাই আরেকটি নোটিশের মাধ্যমে সাত দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন আদালত। কিন্তু তাতেও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গ্রাহক হায়দার আলী বলেন, সমিতির লোকজন ইচ্ছাকৃতভাবে কালক্ষেপণ করছে। তারা কৌশল হিসেবে মামলাকে বেছে নিয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় আমন ও বোরো মৌসুমে স্থানীয় কৃষক ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ধান ছাঁটাই না হওয়ায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর বিরল জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী কামাল হোসেনকে একাধিকবার ফোন করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা