kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দিনাজপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রি, ২ জনের জেল

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দিনাজপুরের বিরলে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘোড়ার মাংস খাওয়া যাবে কী যাবে না, তা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ঘোড়া জবাই ও এর মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত তিনজনকে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন বিরল উপজেলার কাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও কাঠব্যবসায়ী কাইয়ুম আলী। তাঁদের ছয় মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। অন্য দিকে ঘোড়ার মাংসসহ আটক রায়হান আলীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার বিরল উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রাতে তাঁদের এই সাজা প্রদান করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বিরলের কাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও কাঠব্যবসায়ী কাইয়ুম আলী গত শুক্রবার সকালে কাজীপাড়া এলাকায় একটি ঘোড়া জবাই করেন। এ সময় তাঁরা ঘোড়ার মাংস খাওয়া যাবে বলে ২০০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করেন। দুপুরের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায় ঘোড়ার প্রায় দেড় মণ মাংস।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় শুরু হলে স্থানীয় কাজীপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি লোকমান হাকিম বিরল থানায় অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় টের পেয়ে শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও কাইয়ুম আলী পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে কাইয়ুম আলীর ছোট ভাই রায়হান আলীকে দুই কেজি ঘোড়ার মাংসসহ আটক করে পুলিশ। সন্ধ্যায় সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও কাঠ ব্যবসায়ী কাইয়ুম আলীকেও আটক করা হয়।

রাতে তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম রওশন কবীরের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁদের সাজা ও জরিমানা প্রদান করেন।

এ বিষয়ে বিরল থানার ওসি এ টি এম গোলাম রসুল বলেন, ‘ঘোড়া জবাই ও এর মাংস বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ। এ নিয়ে এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা