kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কালাইয়ে আ. লীগের সংঘর্ষ, নিহত ১

জয়পুরহাট প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার কুশুমসারা গ্রামে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত ১৩ জনসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মাত্রাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুল হান্নান থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ওই গ্রামের শামীম নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কুশুমসারা গ্রামে রাত থেকেই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, কুশুমসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একটি বাঁশের বেড়া ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলনের সমর্থক ও মাত্রাই ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হাবিব লজিকের সমর্থকদের মধ্যে সংর্ঘষ বাধে। এতে মিলনের সমর্থক আব্দুর রশিদ, নাছির হোসেন ও রাছুল হোসেন আহত হন। রাতেই আহতদের জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে এ ঘটনায় গুরুতর আহত সামছদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

কুশুমসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি (লজিকের সমর্থক) মামুনুর রশিদ বলেন, ‘পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ছয় মাস আগে বাঁশের বেড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ ঘেরাও করে দিয়েছিলাম। এতে নিজেদের কাজে মাঠ ব্যবহার করতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থক সাইফুল লোকজন নিয়ে এসে বেড়া ভেঙে ফেলে। এতে বাধা দেওয়ায় তারা বিদ্যালয়ের দপ্তরি-কাম-প্রহরী মেহেদি হাসানের বাবা সামছদ্দিনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।’

মিলন সমর্থক সাইফুল ইসলামের স্ত্রী জেসমিন আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘মিলনকে ভোট দেওয়ার কারণেই লজিকের লোকজন বিদ্যালয়ের মাঠটি বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছে। ওই মাঠে আমাদের যেতে দেওয়া হয় না।’

কালাই থানার ওসি আব্দুল লতিফ খান বলেন, ‘এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান থানায় মামলা করেছেন। একজন আসামিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা