kalerkantho

নাটোরে মেয়রের নির্দেশে ভাঙা হলো সীমানাপ্রাচীর

নাটোর প্রতিনিধি   

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আদালতে মামলা থাকা সত্ত্বেও নাটোরের পৌর মেয়র কর্তৃক শহরের পটুয়াপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলাম ছোটনের বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভাঙার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী।

রবিবার দুপুরে নাটোর ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলাম ছোটন বলেন, প্রায় ৩০ বছর আগে সুকুমার মণ্ডল নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি ছয় শতাংশ ও তাঁর ভায়রা সামসুল হুদা ১৯ শতাংশ জমি কিনে বাড়ি বানিয়ে বসবাস করছিলেন। পরবর্তী সময়ে সামসুল হুদার অংশের ১৩ শতাংশ জমি কিনেন স্থানীয় অচিন্ত্য কুমার চক্রবর্তী ও বিউটি ভৌমিক। গত ১০ জুলাই নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী চিঠি দিয়ে জানান, অতিরিক্ত দুই ফুট পাঁচ ইঞ্চি জায়গা দখল করে তার ওপর সীমানাপ্রাচীর দিয়েছেন ছোটন। এ কারণে তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে সিরাজুল ইসলাম ছোটন আদালতে একটি মামলা করেন। এরপর গত শনিবার মেয়রের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা অপূর্ব চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে অচিন্ত্য চক্রবর্তী ও বিউটি ভৌমিকের লোকজন প্রথমে সিরাজুল ইসলাম ছোটনের বাড়ির পানির লাইন, স্যুয়ারেজ লাইন ও বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পরে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে জায়গা দখল করে নতুন করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ফরহাদ হোসেন জানান, পৌর সার্ভেয়ার ও স্থানীয় এক সার্ভেয়ারের মাধ্যমে উভয় পক্ষের জমি মাপজোখ করে দেখা গেছে, ছোটনের জমি সাত শতাংশ হলেও তিনি প্রায় সাড়ে আট শতাংশ জমি দখলে রেখেছেন। অপরদিকে অচিন্ত্য চক্রবর্তী ও বিউটি ভৌমিকের জমি ১৩ শতাংশ হলেও দখলে আছে ১২ শতাংশ ৪০ লিংক। সীমানাপ্রাচীর ভাঙার মাধ্যমে ৪০-৪৫ লিংক জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।

নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী বলেন, অচিন্ত্য চক্রবর্তী ও বিউটি ভৌমিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পৌরসভার সার্ভেয়ারসহ উভয় পক্ষের আমিনের উপস্থিতিতে জায়গা পরিমাপ করা হয়। এতে দেখা যায়, ছোটন কিছু জায়গা দখল করে রেখেছেন। এ ব্যাপারে দুবার নোটিশ দিয়ে জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হয়। কিন্তু তিনি জায়গা না ছাড়লে গতকাল বাদীপক্ষকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য