kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

বেনাপোল সীমান্তে ভোগান্তি

সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে বিকেলে পার

বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর ও বেনাপোল প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এরপর যাত্রীদের বেনাপোল সীমান্ত পার হতে হচ্ছে। যাত্রীরা ভারতে যাওয়ার জন্য সকালে লাইনে দাঁড়াচ্ছে আর বিকেলে বর্ডার পার হচ্ছে। লাইনের পর লাইনে দাঁড়িয়ে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তের ইন্ডিয়া গেটে ও গোড়াউনে কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে এরপর যাত্রীরা ছাড়পত্র পাচ্ছে। ফলে রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং নারী ও শিশুদের সবচেয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সহজে ভিসা প্রাপ্তি, টাকার মূল্য বৃদ্ধি ও ঈদের লম্বা ছুটি থাকায় হাজার হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী ভারতে যাচ্ছে। কিন্তু ৫০০ টাকা ভ্রমণ কর, ৪৫ টাকা টার্মিনাল ফি প্রদান করেও যাত্রীরা কোনো সুবিধা পাচ্ছে না। যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করলেও বিষয়টির কোনো ইতিবাচক সমাধান হচ্ছে না। 

সরেজমিন খবর নিয়ে জানা যায়, ভারতে প্রবেশের আগে বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে বাইরে থেকে ভ্রমণ কর আর টার্মিনাল ফির কুপন নিয়ে টার্মিনালের মধ্যে প্রবেশ করে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সীমান্ত পার হওয়া যায়। কিন্তু যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে টার্মিনালে প্রবেশের আগে তাদের লাইনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। বেনাপোল-কলকাতা প্রধান সড়ক ছাপিয়ে এই লাইন এখন চেকপোস্টের পার্শ্ববর্তী সাদীপুর গ্রামেও চলে যাচ্ছে।

যশোর সদর উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন গুরুতর অসুস্থ। তিনি ভেলোরে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সকাল ৭টা থেকে লাইনে দাঁড়ান। তিনি বলেন, “রোগী বলে আমি কোনো ছাড় পাইনি। সাদীপুর গ্রামের ব্রিজ থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে চেকপোস্ট পর্যন্ত যেতে আমার বিকেল হয়ে গেছে। এরপর ভারতে প্রবেশ করে গোড়াউনে আমাদের ‘ডাব্লিউ’ আকারে লাইন দিতে হয়। এখানে কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে এরপর মুক্তি মেলে।”

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা