kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

আড়াই মাসে তিন শতাধিক গরু চুরি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চুরি বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদুল ফিতরের পর থেকে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিভিন্ন গ্রামে একের পর এক গরু চুরি হচ্ছে। গত আড়াই মাসে উপজেলায় তিন শতাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় খামারি ও কৃষকরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। চুরি ঠেকাতে অনেক এলাকায় রাত জেগে খামার ও গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছে কৃষকরা। পুলিশ বলছে, গরু চোর ধরার ব্যাপারে পুলিশের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।

ভৈরবের বাঁশাগাড়ী, মানিকদী, খাসহাওলা, লন্দিয়া, শ্রীনগর, জাফরনগর, মিরার চর, ভবানিপুরসহ বেশ কিছু গ্রাম থেকে সম্প্রতি তিন শতাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটে। কিছুদিন ধরে ব্যাপক হারে গরু চুরি বেড়ে যায়। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চোরেরা প্রায় রাতেই কোনো না কোনো বাড়িতে হানা দিচ্ছে। গরু চুরি করতে এসে গণপিটুনির শিকারও হয়েছে কয়েক গরু চোর। হাতেনাতে গরুসহ আটক হয়েছে কয়েকজন। গত মাসে মেঘনা নদী থেকে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ১২টি গরুসহ ১১ গরু চোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ছনছড়া গ্রামের আলফাজ মিয়া জানান, কয়েক দিন আগে রাতে তাঁর গোয়ালঘর থেকে ৮০ হাজার টাকা দামের ষাঁড় চুরি হয়।

বাঁশগাড়ী গ্রামের আবুল কাসেম জানান, তাঁর গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি হয়েছে। কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য বহু কষ্টে গরু তিনটি লালনপালন করেছেন। শুধু ভৈরবই নয়, হাওর অঞ্চলের ইটনা, অষ্ট্রগ্রাম, নিকলীতে গত কয়েক মাসে গৃহস্থের বাড়ি থেকে দুই শতাধিক গরু চুরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ভৈরবের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, কৃষক ও খামারিরা তাদের গরু রক্ষা করতে রাত জেগে গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছে।

ভৈরব থানার ওসি (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু চোর চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ যথেষ্ট তৎপর। এ ব্যাপারে ইউনিয়নসহ গ্রামগুলোতে নজরদারি অব্যাহত আছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা