kalerkantho

রাজাপুর

বেহাল সড়ক দুর্ভোগ চরমে

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি   

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বেহাল সড়ক দুর্ভোগ চরমে

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার প্রধান সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ছবিটি উপজেলা সদরের বাইপাস এলাকা থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা সদরের সড়কগুলো ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলার বাইপাস মোড় থেকে শুরু করে ডাকবাংলো মোড় হয়ে বাজার পর্যন্ত সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। সড়কের বেশির ভাগ স্থানে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে অল্প বৃষ্টিতেই বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যাচ্ছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক ব্যবহারকারী সাধারণ পথচারীদের। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে উপজেলা সদরের প্রধান সড়কটির এমন করুণ দশার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

জানা যায়, উপজেলাবাসীর চলাচল সুগম করতে গত বছর এক কোটি আট লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক সংস্কার ও নালা নির্মাণের জন্য একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করেছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলোর টেকসই সংস্কার ও নালা নির্মাণ করার কথা থাকলেও বেশির ভাগ স্থানে নালা নির্মাণ করা হয়নি। তাই অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ফলে এ প্রকল্পের কোনো সুফল পায়নি উপজেলা সদরের বাসিন্দারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাজার থেকে থানা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে নালা থাকলেও থানা থেকে বাদুরতলা মোড় পর্যন্ত নালা নির্মাণ করা হয়নি। এতে একটু বৃষ্টি হলেই বাজার এলাকা, থানা সড়ক, ডাকবাংলো মোড়, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, গোডাউন সড়ক ও বাইপাস মোড় এলাকার সড়ক পানিতে ডুবে যায়। আবার যেসব স্থানে নালা নির্মাণ করা হয়েছে, তা সড়কের চেয়ে উঁচু হওয়ায় পানি নালায় প্রবেশ করতে পারে না। তাই সড়কে পানি জমে যাচ্ছে।

উপজেলার বাইপাস মোড় এলাকার ব্যবসায়ী মো. মামুন হোসেন বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়, তখন বেচাকেনা বন্ধ রাখতে হয়। এ ছাড়া সড়ক দিয়ে ইঞ্জিনচালিত দ্রুত গতির যানবাহন চলাচল করার সময় দোকানের মধ্যে কাদাপানি প্রবেশ করে, এতে মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। আর এ রাস্তায় বর্ষাকালে এলাকাবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ তো নিত্যদিনের। তাই দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও নালা পুনর্নির্মাণ জরুরি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. মনিরউজ্জামান বলেন, ‘সড়কটির জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর দুইবার দরপত্র আহ্বান করলেও অনিয়মের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। এরপর তৃতীয়বার দরপত্র আহ্বান করা হলে তা সুষুমভাবে সম্পন্ন হয়। এ কারণে কাজ শুরু হতে বিলম্ব হয়েছে। তবে বর্তমানে যিনি কাজ পেয়েছেন, সেই ঠিকাদার ঈদের পরই কাজ শুরু করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।’

মন্তব্য