kalerkantho

সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে মাদক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে মাদক

ঈদ সামনে রেখে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসছে মাদক। ইয়াবা ও ফেনসিডিলের এক বিশাল চালান দেশে আনার কৌশল খুঁজছে পাচারকারীরা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এ চালান হাত বদল করতে খোয়াই নদীর তীর ঘেঁষে একদল পাচারকারী অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। তবে পাচারকারীদের ধরতে বিজিবি ও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বিজিবি জানায়, হবিগঞ্জ জেলার সঙ্গে ভারতের প্রায় ৫৫ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। গোপন সূত্র বলেছে, ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার ভাই ও এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই ও ছেলে ইয়াবা, ফেনসিডিল পাচারের নিরাপদ ট্রানজিট রুটে পরিণত করেছে চুনারুঘাটের দক্ষিণাঞ্চল। এ অঞ্চলে বিজিবির কাছে মাদক কারবারির তালিকায় দুলন, কুদ্দুছ, ফারুক, রুকু, রবি, জাহিদ, গিয়াস, উজ্জ্বল, কাইয়ুম, কান্তা, ময়নাসহ অনেকের নাম রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের বড় কয়েকটি চালান ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তে অবস্থান করছে। বিজিবি ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তা এপারে পাচার করতে চিমটিবিল, গুইবিল, বাল্লা, রেমা, টেকেরঘাট, সাতছড়ি, মোকামঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছে পাচারকারীরা। সুযোগ পেলেই চালান নিয়ে আসবে তারা।

চুনারুঘাট সীমান্তের বাসিন্দা জনাব আলী জানান, খোয়াই নদীতে গোসলের সময় স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে পাঁচ-সাত বোতল ও রাতে ২০-৫০ বোতল করে ফেনসিডিল আসে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরার মাদক পাচারকারীদের মূল হোতা পিদুল দাস (৪২) ও তার ছেলে পিকে দাস (২০)। বাংলাদেশ ও ভারতের তিনটি নম্বর ব্যবহার করে কারবারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা।

বর্তমানে চুনারুঘাটে মাদকের প্রাপ্যতা অনেকটা সহজ হয়ে পড়েছে। ফলে স্কুল-কলেজপড়ুয়া উঠতি বয়সের কিশোররাই মাদকে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি।

চুনারুঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী আশরাফ বলেন, ঈদ-পূজাসহ বিশেষ দিবস উপলক্ষে ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইনসহ নানা ধরনের মাদকদ্রব্য নিয়ে এক শ্রেণির পাচারকারীচক্র সক্রিয় থাকে। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় সতর্ক অবস্থায় আছে।

এ ব্যাপারে বিজিবি বাল্লা বিওপি কমান্ডার সেলিম আহমেদ ও চিমটিবিল ক্যাম্প কমান্ডার আতাউর রহমান জানান, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সব সময় তৎপর। বিশেষ দিনগুলোতে আরো বেশি সতর্ক থাকে। তাই কোনো ধরনের চোরাচালান ঢুকতে পারবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা