kalerkantho

বড়াইগ্রামে ডাকাতের কোপে স্ত্রী-ছেলেসহ শিক্ষক আহত

টাকা স্বর্ণালংকার লুট

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের বড়াইগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক ইজহারুল ইসলাম এবং তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করেছে ডাকাতরা। এ সময় ডাকাতরা তাঁর বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয় বলে অভিযোগ। গত বুধবার রাতে কয়েন গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতরা ককটেল ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পুলিশের দাবি, বড়াইগ্রামে বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা গত ২০ বছরের মধ্যে এটিই প্রথম।

শিক্ষকের বড় ছেলে বনপাড়া পৌরসভার হিসাবরক্ষক মামুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, ‘বুধবার রাত ২টার দিকে ১০-১২ জন ডাকাত আমার বাবার ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এ সময় তারা মা-বাবাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। পরে তারা বাবার কাছ থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। শেষে ডাকাতরা আমার ছোট ভাই হারুন-অর-রশিদের ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে কোপায় ও পেটায়। কিন্তু তারা আমার ঘরের দরজা ভাঙার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এর মধ্যে আমি মোবাইল ফোনে চাচাসহ প্রতিবেশীদের খবর দিলে তারা চিৎকার করতে করতে এগিয়ে এলে ডাকাতদল পিছু হটে। গ্রামবাসী ডাকাতদের পথ রোধ করতে চাইলে তারা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।’

মামুন আরো বলেন, ‘ঘটনার পরপরই বনপাড়া হাইওয়ে থানার টহল পুলিশ আসে। তাদের গাড়িতে করেই মা-বাবা ও ভাইকে বনপাড়া পাটোয়ারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাসসহ অন্য কর্মকর্তারা রাতেই আমাদের বাড়িতে আসেন।’ অন্যদিকে পুলিশ সুপার লিটন কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বড়াইগ্রাম সার্কেল) হারুন-অর-রশিদ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বনপাড়া পাটোয়ারী হাসপাতালের চিকিৎসক প্রিন্স বলেন, ‘তিনজনের মাথায়ই কোপের আঘাত আছে। তাঁদের পিটিয়েও জখম করা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ বলেন, ‘বাড়ির মালিক (ইজহারুল) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি একটু সুস্থ হলেই মামলা করবেন। আশা করি, দ্রুত ডাকাতির রহস্য উন্মোচিত হবে।’

মন্তব্য