kalerkantho

রায়পুরায় এখনো জমে ওঠেনি পশুর হাট

ফার্মেসিগুলোকে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধের নির্দেশনা

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নরসিংদীর রায়পুরায় পশুর হাট এখনো জমে ওঠেনি। তবে খামারিরা আশা করছেন আজ-কালের মধ্যেই পশুর হাট পুরোপুরি জমে উঠবে।

এদিকে খামারিরা এবার সম্পূর্ণ দেশি খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজা করেছেন। অধিক মুনাফা লাভের আশায় কোনো অসাধু খামারি বা চক্র যাতে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে না পারে, সে জন্য খামারগুলোতে নজরদারি চালাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

মানবদেহের জন্য অতিমাত্রায় ক্ষতিকর ওই সব অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার না করতে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে খামারি ও পশু পালনের সঙ্গে জড়িতদের সচেতন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ওষুধের ফার্মেসিগুলোকে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, এবার ২৫টি খামারের পাশাপাশি কোরবানির ঈদ সামনে রেখে উপজেলার ২৪টি ইউনিয়নে আট হাজার গরু, এক হাজার ৫০০ মহিষ, দুই হাজার ৫০০ ছাগল ও ভেড়া মোটাতাজা করা হয়েছে।

উপজেলার চরাঞ্চলের চরমধুয়ার গ্রিন অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক মুজিবুর রহমান সিকদার বলেন, তাঁর খামারে ৫০টি গরু রয়েছে। খৈল, ভুসি, খড় ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে তিনি গরু মোটাতাজা করেছেন। বিদেশি গরুর আমদানি বন্ধ করা গেলে এবার গরু বিক্রি করে বেশ লাভবান হবেন বলে জানান।

উপজেলার সবচেয়ে বড় কোরবানির পশুর হাট শ্রীরামপুর ও জঙ্গী শিবপুর বাজারের কয়েকজন বিক্রেতা জানান, সামনের হাট থেকে পুরোদমে বিক্রি শুরু হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান জানান, কোরবানির হাটগুলোতে তাদের চার সদস্যের একটি টিম কাজ করছে। কোরবানির পশুর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়ে তারা সেবা দেবে।

মন্তব্য