kalerkantho

পাবনায় চতুর হাট জমে উঠেছে

দেশি গরু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা   

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনায় চতুর হাট জমে উঠেছে

পশুর হাট : ঈদুল আজহা সামনে রেখে পাবনার বেড়া পৌরসভার সিঅ্যান্ডবি চতুর হাটে জমে উঠেছে পশু কেনাবেচা। ভারতীয় গরু না আসায় দাম পাওয়ার আশায় আছে দেশি গরুর বিক্রেতারা। গত মঙ্গলবারের চিত্র। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পাবনা বেড়া পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী সিঅ্যান্ডবি চতুর হাটে পশু কেনাবেচা জমে উঠেছে। প্রতি মঙ্গলবার এই হাট বসে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত চলবে এই হাট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু, মহিষ, ছাগল কিংবা ভেড়া কেনার জন্য এ হাটে আসছে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় গরু না আসায় এবার গরুর দাম একটু বেশি। তবে দেশি গরু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।

গত মঙ্গলবার সরেজমিনে হাটে গিয়ে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় বেশি পশু এসেছে। এ বছর ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি।

সাঁথিয়া উপজেলার আফড়া গ্রামের খামারি আসাদুল ইসলাম জানান, হাটে বিক্রির জন্য তিনটি ষাঁড় এনেছেন। সবচেয়ে বড়টি থেকে ১২ থেকে সাড়ে ১২ মণ মাংস পাওয়া যাবে। এটি তিন লাখ টাকায় বিক্রি করার ইচ্ছা তাঁর।

বেড়া উপজেলার তারাপুর গ্রামের জলিল বলেন, ‘আমি হাটে পাঁচটি গরু এনেছি। প্রতিটি গরু ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে। তবে বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারিগুলোর দাম আর চাহিদা বেশি। এ বছর গো-খাদ্যের দাম বেশি থাকায় গরু পালনের খরচ বেশি পড়েছে। সে তুলনায় খামারিরা দাম পাচ্ছেন না।’

ঢাকার গরু ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, ‘কোরবানি ঈদের জন্য আমরা এ হাট থেকে গরু কিনে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি। গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিটি গরুর দাম পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে।’

হাটের ইজারাদার মিজানুর রহমান (উকিল) ও ইদ্রিস আলী সরদার জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা এখানে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য