kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

চিতলমারী ও কচুয়া

নদ-নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাগেরহাটের চিতলমারী ও কচুয়া উপজেলায় অবৈধ বাঁশের পাটা, দোয়াড়, ভেসাল জাল ইত্যাদি ব্যবহার করে মাছ ধরার পাশাপাশি নদী-খাল-বিলের পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এখন পর্যন্ত তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

জানা গেছে, চিতলমারী উপজেলা প্রশাসন এরই মধ্যে ওই সব অবৈধ উপকরণ সরকারি জলাশয় থেকে উঠিয়ে নিতে এলাকায় মাইকিং করেছে। তবে মাছ ধরার সেসব বস্তু জব্দ করার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর বিপরীতে নিবন্ধিত মৎস্যজীবীরা খালে ভেসাল ও পাটা পেতে মাছ ধরা অব্যাহত রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে।

গত ২৫ জুলাই ইউএনও বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে বলা হয়, উপজেলা মৎস্য কার্যালয় থেকে তাদের মৎস্য কার্ড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না। মাছ ধরা ছাড়া তাদের জীবিকা নির্বাহের বিকল্প কোনো পথ নেই। ভেসাল জাল, পাটা, দোয়াড় উঠিয়ে দিলে প্রায় দুই হাজার ৭০০ নিবন্ধিত মৎস্যজীবী কর্মহীন হয়ে পড়বে। তাই তারা ভেসাল, পাটা পেতে মাছ ধরার সুযোগ চায়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগ্যান বলেন, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সরকারি জলাশয়ে মাছের অবাধ বিচরণে বাধা সৃষ্টিকারী ও মাছের প্রাণনাশকারীদের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা