kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

অলিউর হত্যাকাণ্ড

বাসের টিকিটের সূত্র ধরে খুনিদের গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মামলাসংক্রান্ত বিষয়ের জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীর বড় ভাইকে খুন করতে এক যুবক ৩০ হাজার টাকা চুক্তিতে দুই নির্মাণ শ্রমিককে দায়িত্ব দিয়েছিল। খুন শেষে চুক্তির অবশিষ্ট ১০ হাজার টাকা নিহতের বাবার কাছ থেকে ধার এনে খুনিদের দিয়েছিল পরিকল্পনাকারী। অবশেষে খুন হওয়া যুবকের পকেটে থাকা একটি বাসের টিকিটের সূত্র ধরে খুনিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে সুনামগঞ্জ পুলিশ। গতকাল সোমবার এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সাংবাদিকদের কাছে ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।

গত ২১ জুলাই সদর উপজেলার অচিন্তপুর গ্রামের রাস্তার পাশে বন্যার পানিতে ভাসমান অবস্থায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পাথারিয়া ইউনিয়নের আসামমোড়া গ্রামের অলিউর রহমানের (৩২) মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ক্লুহীন একটি খুনকে সামান্য বাসের টিকিট ও মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে খুনিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তবে এর আগে নিজের স্ত্রীকে বালিশচাপা দিয়ে খুন করে পুকুরে ফেলে দিয়েছিল খুন হওয়া যুবক অলিউর। ঘটনাটি তাঁর স্বজনরা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছিল। ফলে ওই খুনের রহস্যও নতুন করে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে।

পুলিশ জানায়, ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানার আমানতপুর গ্রামে খালাতো বোন তানিয়াকে বিয়ে করে অলিউর রহমান। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুতে স্ত্রীর সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে একই বছরের ৩ জানুয়ারি স্ত্রীকে বালিশচাপা দিয়ে খুন করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয় অলিউর। পরে তাঁর স্বজনরা এ ঘটনাকে অপমৃত্যু হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তানিয়ার মা এ ঘটনায় তানিয়ার স্বামী অলিউর, অলিউরের বোনজামাই ফখর উদ্দিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলাটি সিআইডিতে তদন্তাধীন আছে। এর মধ্যে ঘাতক স্বামীকেও খুন করে তার বোনজামাই ফখর উদ্দিন। ফখর পুলিশকে জানায়, তার চাচাতো ভাই এনাম ও এনামের বন্ধু কুতুবপুর গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক মুহিতুলকে দিয়ে ৩০ হাজার টাকার চুক্তিতে অলিউরকে লালপুর এলাকায় নিয়ে হত্যা করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা