kalerkantho

ভাঙ্গুড়ায় বয়স্ক ভাতায় ভাগ বসালেন মাঠকর্মী

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাঙ্গুড়ায় বয়স্ক ভাতায় ভাগ বসালেন মাঠকর্মী

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাঠকর্মী মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে একজন বৃদ্ধের বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই বৃদ্ধ মাজেদ মণ্ডল উপজেলার বেতুয়ান গ্রামের মৃত খবির মণ্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় মাজেদ মণ্ডল ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সাহেব আলী ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, বেতুয়ান গ্রামের ইউপি সদস্য সাহেব আলী গত এক বছর আগে মাজেদ মণ্ডলকে একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেন। তখন একই গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাঠকর্মী মতিউর রহমান মাজেদ মণ্ডলের ভাতার ব্যাংক হিসাবের বই নিজের কাছে রেখে দেন। এরপর গত মার্চে ৯ মাসের ভাতার টাকা উত্তোলনের সময় হয়। তখন মতিউর রহমানের কাছে মাজেদ মণ্ডল বই আনতে গেলে তিনি এক হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন। কিন্তু মাজেদ মণ্ডল টাকা দিতে না চাইলে তাঁর ভাতার কার্ড বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন মতিউর। একপর্যায়ে টাকা উত্তোলনের পর তাঁর চাহিদা মতো টাকা দেওয়া হবে শর্তে মাজেদ মণ্ডলকে হিসাবের বই ফেরত দেন মতিউর। পরে মাজেদ মণ্ডলের সঙ্গে ব্যাংকে গিয়ে চার হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করে এক হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে নেন মতিউর। এরপর গত জুলাইয়ে আবারও মাজেদ মণ্ডলের কাছ থেকে তিনি টাকা নেন। গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে মাজেদ মণ্ডল ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাঠকর্মী মতিউর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। সব কিছু স্যার জানে।’ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’

অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান জানান, অভিযোগ তদন্ত করতে সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা