kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

চরফ্যাশনে ৮ দিন ধরে নিখোঁজ এনজিওকর্মী হেলাল

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি    

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় আট দিন ধরে নিখোঁজ বেসরকারি সংস্থা এফডিএ মাঠকর্মী মো. হেলাল উদ্দিন (৩৫)। জীবিত ফেরত পেতে মা-বাবা ও স্ত্রী আকুতি জানিয়েছেন। গত ২৫ জুলাই বাড়ি যাওয়ার কথা বলে অফিস থেকে ছুটি নেন হেলাল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও অফিসে না ফেরায় এনজিওর পক্ষ থেকে দুলারহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

হেলালের বাবা মো. কাঞ্চন মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলে নিখোঁজ, এটা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) দুলারহাট শাখা ব্যবস্থাপক আবু সাইদের কাছে জানতে পারি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ছেলেকে না পেয়ে, চরফ্যাশন থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’

ঘটনার আট দিনেও ছেলের সন্ধান না পেয়ে মা-বাবা ও স্ত্রী হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমার স্বামীর সঙ্গে ২৫ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে শেষ কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন শুক্রবার সকালে বাড়িতে আসবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাড়ি আসেননি। আমার স্বামীকে যেকোনো মূল্যে আমি জীবিত ফেরত চাই।’ বলেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এদিকে বেসরকারি সংস্থা এফডিএ অফিস কর্তৃপক্ষ বলছে, হেলাল ২৫ জুলাই ছুটি নিয়ে বাড়ি গেছেন। তাঁকে নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে না পেয়ে এনজিওর পক্ষ থেকে দুলারহাট থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিবার উন্নয়ন সংস্থার প্রধান হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা জহিরুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, ‘মো. হেলাল উদ্দিন এফডিএ অফিসের দুলারহাট থানা শাখার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মুজিবনগর চরমোতাহার শাখার অগ্রসর ঋণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৫ জুলাই মায়ের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এক দিনের ছুটি নেন। ২৭ জুলাই বিকেলে অফিসে যোগদানের কথা থাকলেও অফিসে যোগদান করেননি। ওই দিন সকালে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল করলে হেলাল মায়ের ওষুধ কিনতে ঢাকায় গিয়েছেন বলে জানিয়ে দেন। এর পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’   

এ বিষয়ে চরফ্যাশন থানার ওসি সামসুল আরেফিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’ এ ব্যাপারে উপজেলার দুলারহাট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, ‘হেলালের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে সর্বশেষ ঢাকার মাতুয়াইল পর্যন্ত তাঁর ব্যবহৃত মোবাইলটি খোলা ছিল বলে জানতে পেরেছি। এর পর থেকে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা