kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩০ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ভোলায় সর্বহারা পরিচয়ে ৭ শিক্ষকের কাছে চাঁদা দাবি

চাঁদা না পেলে পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি

ভোলা প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভোলায় পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নামে সরকারি ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের সাত শিক্ষকের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে চাহিদামতো চাঁদা না পেলে পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার দুপুরে একে একে সব শিক্ষককে ফোন দিয়ে এ চাঁদা দাবি করা হয়। এতে কলেজের সব শিক্ষকের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ভোলা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে জানা যায়, প্রথমেই সরকারি ফজিলতুন্নেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইসরাফীলকে পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নেতা ‘মজুমদার’ পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি ফোন করে চাঁদা দাবি করে। এর কয়েক মিনিট পর ইংরেজি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহের কাছে একই নম্বর থেকে ফোন করে চাঁদা দাবি করে। পরে ০১৯৮৮-১৩৪১০২ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা বিকাশ করতে বলা হয়। না দিলে তাঁর পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এরপর এক এক করে শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক ফরিদুজ্জামান, সালাউদ্দিন আহমেদ, পিকি রানি সাহা ও মো. হারুনের কাছে চাঁদা দাবি করে।

এ ব্যাপারে একাধিক শিক্ষক জানান, হুমকির পর থেকে তাঁরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইসরাফীল বলেন, সাত দিন আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারির নামে সব শিক্ষকের ফোন নম্বর চেয়েছে এক ব্যক্তি। কলেজের পক্ষ থেকে ফোন নম্বর দেওয়াও হয়। এর সাত দিন পরেই চাঁদা দাবি ও হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন তিনি।

ভোলা জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কাওছার বলেন, ‘প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, এরা ঈদভিত্তিক প্রতারকদলের সদস্য। তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। তারা কেউই ভোলার নয়। আমাদের কাছে এর আগেও এমন অনেক কেস এসেছে। তারা তো আসল ডাটা দিয়ে এসব চাঁদা দাবি করে না। তবে অবস্থানের ভিত্তিতে অপরাধীকে আটকের চেষ্টা চলছে।’ তিনি আরো বলেন, হুমকিদাতারা স্থানীয় না হওয়ায় শিক্ষকদের কোনো ধরনের ভয় পাওয়ার কারণ নেই।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা