kalerkantho

নন্দীগ্রামে গুলিতে দুজন জখম, পিস্তলসহ আটক ১

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নন্দীগ্রামে গুলিতে দুজন জখম, পিস্তলসহ আটক ১

বগুড়ার নন্দীগ্রামে গুলিবিদ্ধ পটু। ছবি : কালের কণ্ঠ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে জামাল হোসেন ও পুটু মিয়া নামের দুই ব্যক্তি জখম হয়েছে। এ সময় গ্রামবাসী ধাওয়া করে পিস্তলসহ এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। তা ছাড়া তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, বর্ষণ চেচুয়াপাড়া গ্রামের হায়দার আলী খুন হয় ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর। ওই মামলার আসামি আনোয়ার হোসেন শাহীন সম্প্রতি জামিনে বের হয়। এরপর হায়দার হত্যা মামলার বাদী আব্দুল গফুর ও তার ভাই-ভাতিজারা গত বুধবার রাতে আনোয়ার হোসেনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়।

এ ঘটনায় শাহীনের বাবা শামছুল হক বাদী হয়ে হায়দার হত্যা মামলার বাদী গফুরসহ তার পরিবারের ৯ জনের নামে থানায় মামলা করেন। এর এক দিন পর গত শুক্রবার সন্ধ্যায় গফুরের জামাতা আব্দুস সালাম তিনটি মোটরসাইকেলযোগে কয়েকজন যুবককে নিয়ে চেচুয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে হায়দার হত্যা মামলার অন্য আসামিদের খুঁজতে থাকে। গ্রামের লোকজন তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা গুলি করে। তাতে জামাল ও পুটু মিয়া নামের দুজন গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় গফুরের জামাতা আব্দুস সালাম পিস্তলসহ গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়ে। পরে গ্রামবাসী তার মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে দেয়।

এরপর হত্যা মামলার বাদী গফুরসহ তার ভাই-ভাতিজাদের চারটি পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। গ্রামবাসী পুলিশের বাধার মুখে তাদের বাড়িতে আগুন দিতে ব্যর্থ হয়ে কয়েকটি খড়ের গাদায় আগুন দেয়। এরপর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পিস্তলসহ গ্রেপ্তারকৃত আব্দুস সালামের নামে পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করে।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির বলেন, চেচুয়াপাড়ায় সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জামাল ও পুটু মিয়া গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় মামলা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা