kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

মণিরামপুর

গরিবের ঘর পাচ্ছেন সাবেক ইউপি সদস্য

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যশোরের মণিরামপুরে গরিবের জন্য বরাদ্দের ২২টি ঘরের মধ্যে একটি সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রকল্পের অধীনে উপজেলায় গরিবদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ২২টি ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। ঘরগুলো দুটি বারান্দা, দুটি কক্ষ, একটি বাথরুম ও একটি রান্নাঘরবিশিষ্ট। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে ওই ঘরগুলো তৈরিতে দুই লাখ ৫৮ হাজার টাকা করে ব্যয় হচ্ছে। ওই ঘরগুলোর মধ্যে একটি কদমবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও খেদাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য গোলাম মোস্তফা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। অথচ মণিরামপুর-ঝিকরগাছা পাকা সড়কের পাশে ৯৮ শতাংশ জমিতে তাঁর বাড়ি আছে। বাড়িটির বর্তমান মূল্য প্রায় কোটি টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ করেন, ‘ওই গ্রামে নূর ইসলাম, আব্দুল হক, লুত্ফর রহমানসহ অনেকেই আছে যাদের ৪-৫ শতক করে জমি আছে, কিন্তু থাকার কোনো ঘর নাই। অথচ সাবেক মেম্বার মোস্তফার তিন ছেলে কর্মক্ষম। তাঁর (মোস্তফা) বয়স্ক ভাতার কার্ড আছে। অনেক জমি আছে। একটা বড় পুকুর আছে। তারপরও তিনি ঘর পাচ্ছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা বলেন, ‘৯৮ শতাংশ জমি থেকে বাড়ি করার জন্য ভাইয়ের ছেলেদের কিছু জমি দান করেছি। একটা ইটের ঘর করেছিলাম আগে। সেটা এখন ছেলেরা নিয়ে নিয়েছে। আমার কোনো ঘর নেই। ছয় বছর আগে কাঁঠালগাছ থেকে পড়ে কোমরে আঘাত পেয়ে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েছি। এখন হুইল চেয়ার ছাড়া চলতি পারিনে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল্লাহ বায়েজিদ বলেন, ‘যাদের জমি আছে, কিন্তু ঘর নেই, ঘর করার সক্ষমতা নেই, বিধবা, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা তাঁরা ওই ঘর পাবেন। গোলাম মোস্তফা প্রতিবন্ধী। তাঁর কোনো ঘর নেই। সেই হিসেবে তাঁকে ঘর দেওয়া হয়েছে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা