kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

কাজিপুরে পশুখাদ্য সংকট

সরকারি বরাদ্দ পায়নি পশু পালনকারীরা

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি    

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদীর পানি দুই সপ্তাহ ধরে বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অবশেষে কমতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে তিনটি বাঁধ ধসে গেছে। অনেক রাস্তাঘাট লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। চরাঞ্চলগুলোর বেশির ভাগ পরিবারের ভাগ্য বদলের সম্বল গবাদি পশু। বন্যার কারণে গবাদি পশু পালনে বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র খামারি ও কৃষক।

সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ছয়টি পুরোপুরি ও দুটির অর্ধেক স্থান ডুবে গেছে বন্যার পানিতে। ফলে এসব চরের মানুষ তাদের পশুখাদ্য জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে। তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে পশুখাদ্যের।

যমুনার বিশাল চরে জন্ম নেওয়া কাশ ও নেপিয়ার ঘাস ও আগাছা পশুখাদ্যের প্রধান উপকরণ। এরই মধ্যে ডুবে থাকা চরগুলো জেগে উঠতে শুরু করেছে। পলিবাহিত কাদা আর বালুতে ঢেকে গেছে কাশবন। পচে গেছে বাড়ির আঙিনায় রাখা খড়। উপজেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের গোদারবাগ গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক বেল্লাল মিয়ার সঙ্গে। তিনি ১৭টি গরুসহ আশ্রয় নিয়েছেন ওই গ্রামে। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর কোরবানির ঈদে গরু বেচে দিই। এবার ঈদ আসার আগেই চরগুলো ডুবে গেল। যা খড় আছিল তাও শ্যাষ।’

সব মিলিয়ে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলে পশুখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই সুযোগে যমুনার ডান তীরের বিড়া এলাকার স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে পশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। আসন্ন কোরবানির ঈদে বেশি লাভের আশায় বছরের শুরু থেকে গরু পালনকারী কৃষক ও খামারিরা এখন লোকসানের শঙ্কায় রয়েছে। অনেকে কয়েক দিন আগেই তাদের পশু বিক্রি করছে।

কাজিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সোহেল আলম খান বলেন, ‘সরকারিভাবে আড়াই টন খাদ্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। উপজেলা পরিষদ থেকেও কিছু পাওয়া যাবে, যা বন্যাকবলিত এলাকার পশু পালনকারীদের মধ্যে শিগগিরই বিতরণ করা হবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা