kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বিয়ানীবাজার যুবলীগ

কমিটি নিয়ে ধোঁয়াশা নেতাকর্মীদের হতাশা

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি   

২৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কমিটি নিয়ে ধোঁয়াশা নেতাকর্মীদের হতাশা

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা যুবলীগের কমিটি ঘোষণা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। দীর্ঘ ১৫ বছর পর নতুন কমিটি গঠনের তোড়জোড় শুরু হলেও এখন তা বদলে কাউন্সিলর তালিকায় রূপদানের চেষ্টা চলছে। ফলে নতুন কমিটির আশায় স্বপ্ন দেখা নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এদিকে কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও নানা ধরনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এ তালিকায় একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের নেতাদের আধিপত্য থাকছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৫ সালে বিয়ানীবাজার উপজেলা যুবলীগের তিন সদস্য দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। বর্তমানে এ কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুছ টিটু ও প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক ছফর উদ্দিন লোদী স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। সংগঠনের উপজেলার শাখার প্রধান দুই নেতা দেশে না থাকায় দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক জোবের আহমদ উপজেলা যুবলীগের দায়িত্বে রয়েছেন।

এ বছরের গত ১১ জুলাই স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ মতবিনিময় সভায় যুবলীগের কমিটি গঠনের জন্য নাম চাওয়া হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ তিন সদস্যের একটি কমিটির কাছে নেতাকর্মীদের নাম দিয়ে সম্ভাব্য তালিকা দেওয়ার আহ্বান জানান নুরুল ইসলাম নাহিদ। তাঁর নির্দেশনা ও পরামর্শ মেনে নেতাকর্মীরা সংশ্লিষ্টদের কাছে তালিকা জমা দিলেও যুবলীগের কমিটি গঠিত হচ্ছে না। এসব তালিকা থেকে কয়েকটি নাম বাছাই করে কাউন্সিলর তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে বলে শোনা যাচ্ছে।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এক যুবলীগ নেতা জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর এখন শোনা যাচ্ছে শুধু কাউন্সিলর তালিকায় নাম আসবে। তিনি আরো জানান, শোনা যাচ্ছে একটি অঞ্চল কিংবা অংশকে প্রাধান্য দিয়ে এ তালিকা করা হচ্ছে। সেখানে ক্ষমতাসীন বলয়ের ১১ জন স্থান পেয়েছেন। অবশিষ্ট সব গ্রুপ মিলে কাউন্সিলর পেয়েছেন ১০ জন। দায়িত্বশীলরা অতীতের মতো যুবলীগ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করে নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। মুখ দেখে কাউন্সিলর তালিকা কিংবা কমিটি গঠন করা গেলেও সাধারণ নেতাকর্মীরা তা মেনে নেবে না।

বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান খান বলেন, ‘আমার কাছে যুবলীগের নেতাকর্মীরা যে তালিকা দিয়েছেন, আমি তা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করে একটি তালিকা পাঠিয়েছেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা