kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

সয়াবিন, সোডা ফরমালিন দিয়ে দুধ!

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সয়াবিন, সোডা ফরমালিন দিয়ে দুধ!

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সয়াবিন তেলের সঙ্গে সোডা ও ফরমালিন মিশিয়ে ভেজাল দুধ তৈরি করেন সঞ্জয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনার ভাঙ্গুড়ার ছোট বিষাকোল গ্রামে দুধ ভেজালকারী সঞ্জয় ঘোষকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আশরাফুজ্জামান গত বুধবার রাতে এ দণ্ড দেন।

পুলিশ জানায়, সঞ্জয় বেড়ার মালদহপাড়া গ্রামের বৃন্দাবন ঘোষের ছেলে। দুই বছর ধরে ভাঙ্গুড়ার চরভাঙ্গুড়া গ্রামে শ্বশুর দ্বিজেন ঘোষের বাড়িতে থেকে ভেজাল দুধের ব্যবসা করছেন তিনি।

বিষয়টি জানার পর থেকে তাঁর ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ছোট বিষাকোল গ্রামে আবু ফকিরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভেজাল দুধ তৈরির সময় সঞ্জয়কে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় ছয় লিটার সয়াবিন তেল, মিল্ক পাউডার, ফরমালিন ও দুটি ব্লেন্ডার মেশিন জব্দ করা হয়। খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে ইউএনও আশরাফুজ্জামান ঘটনাস্থলে এসে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সঞ্জয় জানান, প্রথমে ব্লেন্ডার মেশিনে ছয় লিটার সয়াবিন তেল, মিল্ক পাউডার, সোডা ও ফরমালিন মিশিয়ে তরল তৈরি করা হয়। সেই তরল ২০০ লিটার পানিতে মিশিয়ে কৃত্রিম দুধ তৈরি করা হয়। পরে সেই কৃত্রিম দুধ আসল দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ করে উপজেলার বিভিন্ন দুগ্ধ সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপকের কাছে সরবরাহ করা হয়। এতে দুধের ফ্যাটও (ননি) বাড়ে। সমিতির ব্যবস্থাপকরা এ ভেজাল দুধ নামি-দামি দুগ্ধ কম্পানির কাছে বিক্রি করে।

সম্প্রতি উপজেলার শীর্ষ দুই দুগ্ধ ব্যবসায়ী চরভাঙ্গুড়া গ্রামের শফি আহমেদ ও ভবানীপুর গ্রামের আবুল কালামের কাছে দুধ সরবরাহ করছিলেন সঞ্জয়।

তবে ব্যবসায়ী শফি বলেন, ‘সঞ্জয় নকল দুধ তৈরি করে নিজেই দুগ্ধ কম্পানিতে সরবরাহ করত। সে নিজেকে রক্ষার জন্য আমাকে জড়াচ্ছে।’ এ ব্যাপারে আরেক ব্যবসায়ী কালামের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা