kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

অভয়নগর ও দিরাইয়ে চেয়ারম্যানের চালবাজি

অভয়নগর (যশোর) ও দিরাই-শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অভয়নগর ও দিরাইয়ে চেয়ারম্যানের চালবাজি

যশোরের অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিকাশ রায় কপিলের বিরুদ্ধে চাল নিয়ে চালবাজির অভিযোগ উঠেছে। তিনি ১৬০ জন ভিজিডি কার্ডধারীর নাম ভিজিএফের তালিকায় যুক্ত করে চাল আত্মসাৎ করেছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে।

জানা গেছে, ভিজিডি তালিকাভুক্তরা নিজেরাই জানে না তাদের নাম ভিজিএফের তালিকায় আনা হয়েছে। ফলে তারা চাল নিতেও যায়নি। কারসাজি করে চেয়ারম্যান নিজেই চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে লিখিত অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছে।

অভিযোগকারীরা জানায়, সরকারি নিয়মে একই ব্যক্তি সরকারের দুটি সুবিধা নিতে পারে না। তাহলে কিভাবে সরকারি নির্দেশনা অগ্রাহ্য করে এই তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে? এমন প্রশ্নসহ চেয়ারম্যানের চাল আত্মসাতের বিচার চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, যশোর জেলা প্রশাসক, ডিডিএলজি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরে ডাকযোগে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান বিকাশ রায় কপিল তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাল নিয়ে তিনি কোনো চালবাজি করেননি। স্থানীয় একটি মহল তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে চাহিদার তুলনায় বেশি চাল পাওয়ায় তিনি ভিজিডি তালিকাভুক্ত কয়েকজনকে ভিজিএফের চাল দিয়েছেন বলে জানান।

অভয়নগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিজিবুল ইসলাম জানান, চাল সঠিকভাবে না পাওয়ার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুজ্জামান জানান, তিনি অভিযোগপত্র হাতে পাননি। পাওয়া মাত্র ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, চাল আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন পরিষদের সাত সদস্য। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কাছে এ অভিযোগ করেন তাঁরা। এর আগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অনাস্থা, ভিজিএফের ৩০ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রি ও এমপির বরাদ্দের আট টন চাল আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তা ছাড়া পরিষদের স্থায়ী কমপ্লেক্স ভবন থাকলেও চেয়ারম্যান পৌর শহরের হারানপুরে নিজ বাসভবনে অফিস কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে ইউনিয়নবাসী যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

মন্তব্য