kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

নিকলীতে পাথর শ্রমিককে হত্যার অভিযোগ

পুলিশ না নেওয়ায় আদালতে মামলা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি    

১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোরগঞ্জের  নিকলীতে শামছুদ্দিন ওরফে শামছু মিয়া (৫৫) নামে এক পাথর শ্রমিককে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর ১১ দিনেও মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে থানা-পুলিশ। এ পরিস্থিতিতে নিহতের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম গতকাল মঙ্গলবার আদালতে মামলা করেছেন।

গতকাল বিকেলে শহরের গৌরাঙ্গবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নিহতের স্ত্রী রওশন আরা, দুই ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও শরীফুল আলম দীপু, ছোট ভাই নূর মিয়া, চাচা বজলুর রহমানসহ পরিবারের অন্যরা। এ সময় তাঁরা থানা-পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ করেন। তাঁদের ভাষ্য, বাড়ির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী আবদুল লতিফ সালকারুমের (৩৮) সঙ্গে শামছুদ্দিন ওরফে শামছু মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। ২০১১ সালে স্থানীয় কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে সালকারুম এবং শামছু মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম প্রার্থী হলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে ওঠে। গত ২৯ মে ভোরে শামছু মিয়া নিকলীর মির্জাপুরে পাথরের নৌকায় শ্রমিক হিসেবে কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তিনি বাড়ির সামনের সড়কে পৌঁছালে সালকারুম, তাঁর বাবা নূর হোসেন, খালাতো ভাই মামুন, খালু কডু মিয়া ও তাঁর মামাতো ভাই ইয়াসিন মিলে শামছুকে অটোরিকশায় উঠিয়ে অপহরণ করে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে চলন্ত অটোরিকশাতেই বাটখারার পাথর ও ইট দিয়ে আঘাত করে শামছুর মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে সড়কে ফেলে দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা