kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

শৈলকুপায় সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬

বেড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় জখম ৫

ঝিনাইদহ ও আঞ্চলিক (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রতন মণ্ডল (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে বসন্তপুর গ্রামের পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। রতন একই গ্রামের রাহান মণ্ডলের ছেলে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শৈলকুপা সার্কেল) তারেক আল মেহেদি জানান, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার সময় ঝড়ে বসন্তপুরের সেকেন্দার আলীর গাছের ডাল প্রতিবেশী ওলিয়ার রহমানের ঘরের ওপর পড়ে। গতকাল সকালে সেকেন্দার গাছটির ডাল কাটতে গেলে ওলিয়ারের সঙ্গে তাঁর তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় সেকেন্দারের লোকজন রতনসহ প্রতিপক্ষের ছয়জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করে। তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক রতনকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে পাবনার বেড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে হাটুরিয়া চারমাথা মোড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রভাব বিস্তার নিয়ে হাটুরিয়া গ্রামের ফজর আলী ও মিজান প্রামাণিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তুচ্ছ ঘটনার জেরে তিন দিন আগে মিজানের সঙ্গে ফজরের ভাতিজা রিপনের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ফজর, রিপন ও তার ভাই শিপনসহ আট থেকে ১০ জন হাটুরিয়া চারমাথা মোড় বাজারে গিয়ে মিজানের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় মিজানের আত্মীয়-স্বজনরা বাধা দিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিন্তু পরে ফজর ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ একই বাজারে গিয়ে মিজানের ভাই রবিদুলের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে। এ সময় রবিদুলকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁর দুই ভাই মিজান ও এমদাদুল, চাচা মালেক মণ্ডল ও ভাতিজা সাইদুল ইসলাম টোকেনকেও মারধর করে প্রতিপক্ষরা। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে রবিদুলকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য