kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

বোয়ালমারী

চেয়ারম্যানের হয়রানিতে চাকরিপ্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরের বোয়ালমারীর ময়না ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও তাঁর ভাগ্নের বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নে মহল্লাদার পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মহল্লাদার ও দফাদার পদে চাকরিপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় ইউএনওর কার্যালয়ে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিজ ইউনিয়নে মহল্লাদার পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ময়না ইউপির চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির মো. সেলিম তিন প্রার্থীর কাছ থেকে তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন। আর তাঁর ভাগ্নে মো. ইমদাদুল এক প্রার্থীর কাছ থেকে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।

ময়না ইউনিয়নের কান্দাকুল গ্রামের দীপ্তি রানী আচার্য অভিযোগ করেন, ‘আমার ছেলে দীপ কুমার আচার্যকে মহল্লাদার পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ইউপি চেয়ারম্যান নাসির মো. সেলিম এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে আমি এক লাখ ৩০ হাজার টাকা দিই। বাকি ২০ হাজার টাকা নিয়োগের পরে দেব বলে জানাই। কিন্তু গত মঙ্গলবার ইউএনওর কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো তালিকা থেকে জানতে পারি আমার ছেলের চাকরি হয়নি। আমি চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান আমার টাকা ফেরত দেয়নি।’ একই ইউনিয়নের মীরের চর গ্রামের ফিরোজ মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, ‘নাসির চেয়ারম্যানের ভাগ্নে পাঁচময়না গ্রামের মো. ইমদাদুল আমাকে মহল্লাদার পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা নেয়। আমি চাকরির জন্য চাপ দিলে ইমদাদুল চাকরি দিতে পারবে না জানিয়ে ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা ফেরত দেয়। বাকি টাকা ফেরত না দিয়েই ইমদাদুল বিদেশ চলে যায়।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ময়না ইউপির চেয়ারম্যান সেলিম বলেন, ‘আমার কাছে অনেকেই চাকরির জন্য আসেন। তাঁদের জন্য সুপারিশ করতে হয়। চাকরি না পেলে অনেকেই নানা অভিযোগ তোলেন।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সাক্ষাৎকার বোর্ডের প্রধান মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ‘নিয়োগ বাণিজ্যের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা