kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘মানুষের কাছে হাত পাততে চাই না’

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

১৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁ পা নেই আব্দুল মালেকের। তবু পরনির্ভরশীল নন তিনি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়েই ইজি বাইক চালাচ্ছেন তিনি, চালাচ্ছেন সংসারও।

মালেকের বাড়ি লালমনিরহাট পাটগ্রামের বাউরা ইউনিয়নের নবীনগর (স্টেশনপাড়া) গ্রামে। সেখানে স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে পৈতৃক জমিতে থাকেন তিনি। ১৯৭৮ সালে ট্রেন দুর্ঘটনায় বাঁ পা হারান মালেক। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে চলাচলের জন্য নকল পা (রাবারের পা) লাগিয়ে দেন। দীর্ঘদিন এক পা নিয়েই বিভিন্ন হোটেলে শ্রমিকের কাজ করেছেন। কিন্তু বয়সের কারণে এ কাজ করতে অসুবিধা হওয়ায় গত তিন বছর ধরে ভাড়ায় ইজি বাইক চালাচ্ছেন মালেক।

বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়ক ও বুড়িমারী স্থলবন্দর মহাসড়কে ইজি বাইক চালান তিনি। প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় হয় তাঁর। এর মধ্যে ইজি বাইকের মালিককে দিতে হয় ৪০০ টাকা। অবশিষ্ট টাকা দিয়েই চলে তাঁর সংসার। তিন মেয়ের মধ্যে বিয়ে দিয়েছেন দুজনকে।

বাউরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মিজানুর রহমান বাবলু ও নবীনগর গ্রামের সজল কুমার দে বলেন, মালেক প্রতিবন্ধী হলেও অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়।

বাউরা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বসুনিয়া দুলাল বলেন, ‘আব্দুল মালেক শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও কঠোর পরিশ্রম করছেন। তিনি আমাদের দেশের বোঝা নন; সম্পদ।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা