kalerkantho

রবিবার । ২১ জুলাই ২০১৯। ৬ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৭ জিলকদ ১৪৪০

‘মুই ভোট দিবার যাও নাই’

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মো. জয়নদ্দীন। গতকাল রবিবার দুপুরে জমিতে কাজ করছিলেন নীলফামারী সদরের শিয়ালডাঙ্গী গ্রামের এই কৃষক। ভোট দিয়ে এসেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভোট আসিলে (এলে) প্রার্থী ঘুরে, ভোট চায়। প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক বাড়ি বাড়ি ভোট চায়া বেড়ায়। এইবার কাহো (কেউ) আইসে নাই ভোট চাবার। কয়জন (কতজন) ভোটোত খাড়াইছে; মুই মার্কা জানো না; ভোটও দিবার যাও নাই।’ জয়নদ্দীনের মতো অনেকেই গতকাল অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোট দেননি। এদিন সদর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে ভোটারদের উপস্থিতি কম।

জমিদারপাড়া গ্রামের লাভলী বেগম বলেন, ‘হামাক কাহো কয় নাই যে এক ভোট দেন কি অক ভোট দেন। ভাবিনু যায় (যে) ভোটোত খাড়াইছে ওমার ভোটের দরকার নাই। এইলা ভাবিয়া মুই ভোট দিবার যাও নাই।’ অন্যদিকে ক্ষোভের সঙ্গে প্রধানপাড়া গ্রামের ইসাহাক আলী বলেন, ‘হামেরা ভোট দেই একঠে, ভোট যায় আরেকঠে। তাহলে ভোট দিবার লাগে কেনে?’ একই ধরনের কথা বলেন আরো কয়েকজন ভোটার।

গতকাল সকাল ১১টার দিকে সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোট পড়েছে ৩০০টি। এ সময় কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি।

মন্তব্য