kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুদক কর্তার বিরুদ্ধে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝালকাঠিতে সেটলমেন্ট কার্যালয়ের তিন কর্মচারীর কাছ থেকে অভিযানের নামে বরিশাল দুদকের উপপরিচালক দেবব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে বেতনের টাকা, ছাপা পরচা ও নকশা বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ঝালকাঠি সেটলমেন্ট কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মনির হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে ওই অফিসের পেশকার নজরুল ইসলাম ও অফিস সহকারী সুধির রঞ্জন কির্ত্তনীয়াও উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সার্ভেয়ার মনির হোসেন দাবি করেন, গত বুধবার বরিশাল দুদকের উপপরিচালক দেবব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি দল ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিচতলায় সেটলমেন্ট অফিসে আসে। তাঁরা ভেতরে ঢুকে দরজা-জানালা বন্ধ করে দেয়। অভিযানের নামে দুদক কর্মকর্তারা পাঞ্জাবির পকেট ছিঁড়ে তাঁর জানুয়ারি মাসের বেতনের ১১ হাজার ৪৭০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ টাকা বেতনের বললে দুদকের কর্মকর্তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। পরে পেশকার নজরুল ইসলাম ও অফিস সহকারী সুধির রঞ্জন কির্ত্তনীয়ার কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য রাখা ছাপা পরচা ও নকশা বিক্রির পাঁচ হাজার ৩৭০ টাকাও নিয়ে যায়।

মনির হোসেন বলেন, ‘দুদক কর্মকর্তারা আমার পাঞ্জাবির পকেট ছিঁড়ে সব টাকা ছিনিয়ে নেয়। তা ছাড়া আমাকে জনসম্মুখে লাঞ্ছিত করেছে। এক কর্মকর্তা আমাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়ার ভয় দেখিয়েছে।’

অভিযোগ অস্বীকার করে বরিশাল দুদকের উপপরিচালক দেবব্রত মণ্ডল বলেন, ‘সেটলমেন্ট অফিসের তিন কর্মচারীর কাছে যে টাকা পাওয়া গেছে তার উেসর কোনো সঠিক প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তারা টাকাগুলো বেতন ও পরচা বিক্রির বলে দাবি করেছে। তাই টাকাগুলো জব্দ না করে বরিশাল সেটলমেন্টের জোনাল অফিসের কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযানের পর জোনাল অফিস ঝালকাঠি সেটলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তাসহ চারজনকে অন্যত্র বদলি করেছে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা