kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

বরিশালে ডাম্পিং স্টেশন নেই

নষ্টের পথে পুলিশের মামলার আলামত

আজিম হোসেন, বরিশাল   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ ও বিভিন্ন সময়ে পালন করা কর্মসূচিতে বরিশালে বেশ কিছু গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। ওই সব গাড়িতে থাকা বেশ কিছু যাত্রী আহত ও নিহত হয়েছেন। আর এ ঘটনায় বরিশাল মেট্রো এলাকার চারটি থানায় বেশ কয়েকটি মামলা তদন্তাধীন এবং বিচারাধীন। মামলার প্রধান আলামত হিসেবে গাড়িগুলো জব্দ করে পুলিশ। তবে বরিশালে পুলিশের নির্দিষ্ট কোনো ডাম্পিং স্টেশন (জব্দ গাড়ি রাখার নির্ধারিত স্থান) না থাকায় সড়কের ওপর রাখা হয়েছে জব্দকৃত গাড়িগুলো। এতে একদিকে যেমন মামলার আলামত নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সড়কের ওপর গাড়ি থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

শুধু ওই মামলার আলামত হিসেবে জব্দকৃত গাড়িগুলোই নয়; অন্যান্য যেসব মামলায় গাড়ি আটক করা হয় আলামত হিসেবে সেসব গাড়িই নগরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক পুলিশ লাইনস ও সরকারি পলিটেকনিক কলেজ-সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে রাখা হয়। এতে যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পুলিশ হাসপাতাল-সংলগ্ন পলিটেকনিক সড়কে চারটি ট্রাক, দুটি বাস ও একটি পিকআপ রাখা আছে। এর মধ্যে দুটি বাস ও একটি ট্রাকের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। মরিচা ধরে সেগুলোর বিভিন্ন অংশ খসে পড়ছে। সবকটির চাকা বসে গেছে। ইঞ্জিন থেকে শুরু করে বেশির ভাগ সরঞ্জাম উধাও। ওই গাড়ি তিনটি বিভিন্ন ধরনের পোস্টার ও ব্যানার লাগানোর স্থানে পরিণত হয়েছে।

বিএমপি পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘যেকোনো মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এর আলামত সংরক্ষণ করতে হয়। পরিবহন-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতে বারবার আবেদন করা হয়েছে। বিভিন্ন কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে সময় লাগছে।’

বিএমপির ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. শামসুল আলম বলেন, ‘বিএমপির চার থানার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডাম্পিং স্টেশন নেই। নগরের কাশীপুর এলাকায় ডাম্পিং স্টেশন করার জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন।’ তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ হাসপাতালের সামনের সড়কে রাখা কিছু যানবহন সরিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যেগুলো এখনো আছে সেগুলোর অবস্থা এতই নাজুক যে স্থানান্তরের সুযোগ নেই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা