kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রানীনগরে সেচের পানি যাচ্ছে ইটভাটায়

আত্রাই-রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নওগাঁর রানীনগরের কাশিমপুর ইউনিয়নের চকমনু গ্রামের মো. আসমাইল হোসেন। তাঁর বিরুদ্ধে সেচের জন্য ব্যবহৃত গভীর নলকূপের পানি ইটভাটায় বাণিজ্যিক চুক্তিতে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সেচমূল্য নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে আসমাইলের বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত টাকা ফেরতের দাবিতে সম্প্রতি উপজেলা সেচ কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুই যুগ আগে চকমনুতে গভীর নলকূপ স্থাপন করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এ নলকূপের আওতায় ২০০ বিঘা ফসলি জমি আছে। শুরুতে কৃষকরা মিলে পানির মূল্য নির্ধারণ করে সেচ কার্যক্রম চালাত। পরে নলকূপটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি ইচ্ছামতো সেচমূল্য নির্ধারণ করে আসছেন আসমাইল। একই সঙ্গে নলকূপসংলগ্ন ইটভাটায় গোপনে বাণিজ্যিক চুক্তিতে পানি সরবরাহ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে নলকূপটির পানি ব্যবহার করছেন বলে জানিয়েছেন ইটভাটাটির ম্যানেজার মো. জসির উদ্দিন।

অন্যদিকে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতে সেচের জন্য কয়েকজন কৃষকের কাছ থেকে বিঘাপ্রতি দুই হাজার টাকা করে আদায় করেন আসমাইল। কিন্তু গত ৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলা সেচ কমিটির পক্ষ থেকে সেচমূল্য নির্ধারণ, এলাকায় মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয় বলে জানতে পারে চকমনুর কৃষকরা। উপজেলা সেচ কমিটি কাশিমপুর ইউনিয়নের জন্য সর্বোচ্চ সেচমূল্য এক হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করেছে বলেও তারা জানতে পারে।

লিখিত অভিযোগের প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সেচ কমিটির সভাপতি মো. আল মামুন বলেন, ‘শিগগিরই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্ধারিত সেচমূল্য প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের জানানোর লক্ষ্যে আটটি ইউনিয়নে মাইকিং, মূল্য তালিকাসহ লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আর অতিরিক্তি সেচমূল্য ফেরতের ব্যাপারে কয়েক দিনের মধ্যে গভীর নলকূপের অপারেটর ও মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা