kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

কুড়িগ্রাম সরকারি গণগ্রন্থাগার

বই ৩০ হাজার, নিবন্ধিত পাঠক মাত্র ১৯৮ জন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বই ৩০ হাজার, নিবন্ধিত পাঠক মাত্র ১৯৮ জন

কুড়িগ্রাম সরকারি গ্রন্থাগারে এখন আর পাঠকদের ভিড় নেই। ছবি : কালের কণ্ঠ

 

কুড়িগ্রাম সরকারি গ্রন্থাগারে এখন আর পাঠকদের ভিড় নেই।    ছবি : কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রাম সরকারি গণগ্রন্থাগারে উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুতোষ বই, ভ্রমণকাহিনি, ধর্মগ্রন্থ মিলিয়ে ৩০ হাজারের মতো বই আছে। কিন্তু এসব বই পড়ার জন্য আগ্রহী পাঠকেরই অভাব। বর্তমানে নিবন্ধিত পাঠক মাত্র ১৯৮ জন। ভবন থাকলেও কক্ষ রয়েছে মাত্র একটি, যেটি পাঠকক্ষ ও অডিটরিয়াম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রয়েছে জনবল সংকটও। এভাবে নানা সমস্যা নিয়েই শহরের সরকারি গণগ্রন্থাগারটি চলছে।

কুড়িগ্রাম শহরের কলেজ রোডের সরকারি গণগ্রন্থাগারটিতে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, গ্রন্থাগার ভবনের একটি বড় কক্ষ রয়েছে, যার চারপাশে থরে থরে বই সাজানো। আর কোনো কক্ষ না থাকায় এটিই পাঠকক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হাতে গোনা কয়েকজন পাঠক। যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি, দৈনিক দেড় শ থেকে দুই শ পাঠক আসে এখানে।

গণগ্রন্থাগার সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৭ সালে কুড়িগ্রাম পৌরসভার ভাড়া নেওয়া একটি কক্ষে গ্রন্থাগারটির যাত্রা শুরু হয়। নিম্নমানের কাজ হওয়ায় ভবনটির প্রবেশপথ দেবে যায়। গ্রন্থাগারে ঢোকার মুখেই গর্ত, দেয়ালে ফাটল। বরাদ্দের অভাবে ভবনটি সংস্কার করা যাচ্ছে না। গ্রন্থাগারের দেয়াল ঘেঁষেই অবৈধ দোকানপাট। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে পাঠ পরিবেশ। বর্তমানে এই গ্রন্থাগারে গ্রন্থাগারিক, কনিষ্ঠ গ্রন্থাগারিক, সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক রয়েছেন।

এনজিওকর্মী বিনয় ভূষণ রায় জানান, মাঝেমধ্যে তিনি এখানে নির্দিষ্ট কিছু বই খুঁজতে আসেন। ভাষাবিষয়ক ওরিয়েন্টেশন ও ইন্টারনেট সেবা চালু হলে পাঠাগারের পাঠক বাড়ত বলে মনে করেন তিনি।

গ্রন্থাগারিক মেহেদী হাসান জানান, এই গ্রন্থাগারের উদ্যোগে বিতর্ক, আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তব্যসহ সৃজনশীল নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানাভাবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাঠাগারের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি জনবল সংকট দূর করা প্রয়োজন।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন জানান, শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করতে নানা ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাঠক বাড়লে গ্রন্থাগারগুলো জমজমাট হবে। আর জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে গ্রন্থাগারগুলো গড়ে তুলতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা