kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ জনের মধ্যে বর্তমানে আটজন চিকিৎসক রয়েছেন। তাঁদের পক্ষে প্রতিদিন শত শত রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া এখানে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকটও রয়েছে।

এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতিসহ ছিমছাম অপারেশন থিয়েটার থাকা সত্ত্বেও অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ না থাকায় বড় ধরনের অপারেশন করা হয় না। এমনকি প্রসূতিদেরও সিজার করা হচ্ছে না। ফলে প্রসূতিদের নিয়ে বিপাকে পড়ছে পরিবারের লোকজন।

নাক-কান-গলা, চর্ম ও যৌন, চোখ ও দাঁতের কোনো চিকিৎসকও এখানে নেই। তাই এসব বিভাগসংশ্লিষ্ট রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে সামান্য চিকিৎসা নিয়েই তাদের বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন ৩০০ ও জরুরি বিভাগে শতাধিক রোগীকে সেবা দেওয়া হয়। বহির্বিভাগের ৩০০ রোগীকে প্রতিদিন চিকিৎসা দিচ্ছেন মাত্র তিনজন চিকিৎসক।

উপজেলার ১০টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে চারটি চালু থাকলেও সেখানেও পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। হলদিয়া ও কনকসার ও কাজির পাগলা ইউপি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকশূন্য। দোগাছি, বেজগাঁও ও বৌলতলী ইউপি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তিনজন চিকিৎসকই প্রেষণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন। আর খিদিরপাড়া ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন চিকিৎসক থাকলেও বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত আছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের অভাবে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তা ছাড়া চিকিৎসকের অভাবে অপারেশন থিয়েটারও চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সংকটের কারণেও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত চিকিৎসক পেলে এলাকার রোগীদের সুচিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হতো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা