kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রায়পুরা পৌর গোলচত্বরটি আবর্জনার দখলে

মো. আব্দুল কাদির, রায়পুরা (নরসিংদী)   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রায়পুরা পৌর গোলচত্বরটি আবর্জনার দখলে

নরসিংদীর রায়পুরা পৌর গোলচত্বরটি নির্মাণ করা হয়েছিল সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য। কিন্তু বর্তমানে চত্বরটি ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

রায়পুরা উপজেলার পৌর গোল চত্বরটি নির্মাণ করা হয়েছিল সৌন্দর্যবর্ধন ও জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য। কিন্তু বর্তমানে চত্বরটি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত স্থান না থাকায় ওই চত্বরই ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানটি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে প্রায় ঢাকা পড়ে আছে। অল্প বৃষ্টি বা বাতাস হলেই ছড়িয়ে পড়ছে পচা দুর্গন্ধ। এতে অতিষ্ট ওই পথে নিয়মিত চলাচলকারী পথচারী ও আশপাশের দোকানদারা।

পথচারী ও দোকানিদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানায়, সারাক্ষণ পচা গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসে তাদের। আর একটু বৃষ্টি হলেই দুর্গন্ধের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ দুর্গন্ধে অনেকেই পড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। ছড়িয়ে থাকা ধুলাবালুতে দোকানের আসবাপত্রও নষ্ট হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘ময়লা-আর্বজনা থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণে মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানিজনিত অ্যালার্জি হতে পারে। সেই সঙ্গে ধুলাবালুমিশ্রিত খাবার খেলে পেটে পীড়া দেখা দিতে পারে।’

রায়পুরা পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জামাল মোল্লা বলেন, ‘চত্বরটির পাশে গড়ে ওঠা ফলের ব্যবসায়ীরা তাঁদের দোকানের ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর চত্বরটি বিনির্মাণের জন্য চলতি মাসেই টেন্ডার দেওয়া হবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘চত্বরটির নামকরণ করা হবে ‘স্বাধীনতা চত্বর’ এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে চত্বরটিতে একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা