kalerkantho

মঠবাড়িয়ায় গার্মেন্টকর্মী ও মেহেরপুরে গৃহবূধকে কোপ

আঞ্চলিক (পিরোজপুর) ও মেহেরপুর প্রতিনিধি   

১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মঠবাড়িয়ায় গার্মেন্টকর্মী ও মেহেরপুরে গৃহবূধকে কোপ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার গত বুধবার গার্মেন্টকর্মী শাহীনুর বেগমকে কুপিয়ে-পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। পারিবারিক কলহের জেরে গত বুধবার ফুলঝুড়ি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

শাহীনুর ও তাঁর স্বামী চট্টগ্রামে গার্মেন্টে কাজ করেন বলে জানা গেছে। সেখান থেকে গত মঙ্গলবার তাঁরা মঠবাড়িয়ায় আসেন।

শাহীনুরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী সোলায়মান শরীফ, শ্বশুর ফজলুল হক শরীফ, শাশুড়ি সুফিয়া বেগম, দেবর জব্বার শরীফ ও রহিম শরীফের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শাহীনুরের বড় ভাই মো. নাছির উদ্দিন বেপারী মামলাটি করেছেন। তবে ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক।

নাছিরের অভিযোগ, ‘বিয়ের পর থেকেই আমার বোনের ওপর তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাঁকে স্বামীর সংসার থেকে তাড়িয়ে দিয়ে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।’

আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, মঠবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শওকত হোসেন।

অন্যদিকে মেহেরপুর সদরে পূর্বশত্রুতার জেরে গৃহবধূ সীমা খাতুনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবক রিন্টু হোসেনের বিরুদ্ধে। গত বুধবার রাতে ঝাউবাড়িয়া নওদাপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সীমা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে শতাধিক সেলাই দেওয়া হয়েছে।

সীমার ভাই মোলায়েন হোসেন জানান, তাঁর বোনের ছেলের সঙ্গে প্রতিবেশী মিনারুল ইসলামের ছেলে রিন্টুর ঝগড়া হয়। ঝগড়ার জেরে তাঁর বোন জামাই রিন্টুর বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ রিন্টুর কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। এর জেরে রিন্টু বুধবার রাতে সীমার ঘরে ঢুকে তাঁকে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সদর থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনা জানার পর তদন্তে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য