kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

পাইপলাইনের পানি পাচ্ছে না পৌরবাসী

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শাহজাদপুর পৌর এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে দুই দফায় পাঁচটি গভীর নলকূপ ও ৩২ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হলেও পৌরবাসী এখনো পানি পায়নি। জানা যায়, ২০০৭ সালে শাহজাদপুর পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হয়। অনেক দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভায় পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরবাসীকে পানি সরবরাহ করা হয়। সেখানে শাহজাদপুর পৌরসভায় এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে পৌরবাসীকে নলকূপের পানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কিন্তু  বেশির ভাগ নলকূপের পানিই আয়রনযুক্ত। তাই বিশুদ্ধ পানির অভাবে ভোগান্তিতে পড়েছে পৌরবাসী।

২০০৭ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দুটি পাম্প ও ১২ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপনের পর সেটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে। তখন থেকেই শাহজাদপুর পৌরবাসীর পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি পাওয়ার কথা। কিন্তু আজ পর্যন্ত তারা তা পায়নি। এর মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে চলতি বছরের মে মাসে আরো তিনটি পাম্প ও ২০ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। কিন্তু পৌরসভার গাফলতির কারণে এখন পর্যন্ত কোনো পাম্পই চালু হয়নি। ফলে পৌরবাসী পাইপলাইনের পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শাহজাদপুর পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আলমগীর হোসেন ও এস এম ইকবাল হাসান রওশন জানান, খুব শিগগির পৌরবাসীদের পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হবে। এ জন্য আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ২৫০ জন আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৮০ জন আবেদনকারী প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়েছেন।

শাহজাদপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রোজী বেগম বলেন, ‘পৌরসভায় আবেদন করতে গিয়ে জানতে পারলাম পানির জন্য মাসিক ভাড়া এখনো ধার্য হয়নি। তাই ফিরে আসি। ১৫ বছর ধরে শুনছি, পাইপলাইনে বাড়িতে বাড়িতে পানি দেওয়া হবে।’ ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছানোয়ার হোসেন ও ইকবাল হোসেন জানান, তাঁদের ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন আগে পানির পাম্প বসানো হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পাম্প হাউসটির চারপাশ ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে। এ ব্যাপারে শাহজাদপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আবদুল ওয়ারেছ বলেন, ‘পানি সরবরাহের কাজ শুরু হলে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির অসুবিধা হবে না।’

অন্যদিকে পৌর মেয়র নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। খুব শিগগির পানি সরবরাহের কাজ শুরু হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা